ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নারী এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান ইসলামপুরে ১২৮টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, দিনদিন ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য-অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে মাদারগঞ্জে পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শুভ উদ্বোধন মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ান আহত, সাব-জোনাল অফিস ঘেরাও-ভাঙচুর শেরপুর যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জামালপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

ইসলামপুরে স্বাক্ষর জাল করে এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ইসলামপুর : বেনুয়ারচর আব্দুল মালেক মন্ডল এতিমখানা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় স্বাক্ষর জাল করে ক্যাপিটেশন গ্রান্ড প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সুপারের বিরুদ্ধে।

স্বাক্ষর জালয়াতি ও এতিমের অর্থ আত্বস্বাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ও দুদকে অভিযোগ দাখিল করেছেন এতিম খানা কমিটির সভাপতি। অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউএনও তদন্ত টিম গঠন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চর পুটিমারী ইউনিয়নের বেনুয়ারচর আশরাফুল উলূম হাফেজিয়া মাদরাসা ও আব্দুল মালেক মন্ডল এতিমখানার ২২ জন শিক্ষার্থীকে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক সরকারের ক্যাপিটেশন গ্রান্ড প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতিমখানার সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সুরুজ, সুপার আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন। সকল দেখভালের দ্বায়িত্ব সুপারকেই দিয়েই করিয়ে থাকেন।

এই সরলতার সুযোগে সুপার সভাপতিকে না জানিয়ে তার স্বাক্ষর জাল করে গত ২১ মাসের তিনটি বিলের মাধ্যমে প্রায় ছয় লাখ টাকা উত্তোলন করেন। বিষয়টি সভাপতির দৃষ্টিগোচর হলে সুপারকে তার স্বাক্ষর জাল করার কারণ জানতে চান। দ্রুত বিল উত্তোলন করা দরকার আপনাকে না পেয়ে আপনার স্বাক্ষর আমি প্রদান করেছি বলে সুপার জবাব দেন। এ সময় উত্তোলিত অর্থের হিসাব জানতে চাইলে সুপার তালবাহনা করায় ১০ আগস্ট সভাপতি ইউএনও ও দুদক বরাবর স্বাক্ষর জালিয়াতি ও এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দাখিল করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে দাবি জানান।

স্থানীয়রা জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত ক্যাপিটেশন গ্রান্ড প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অন্যায়। যেখানে ধর্মীয় শিক্ষা, আচার-আচরণ ও নৈতিকতার বন্ধন তৈরি হওয়ার কথা সেখানে, যদি দুর্নীতি ও অনিয়ম হয় তাহলে অচিরেই দমন করা প্রয়োজন। তারা স্বাক্ষর জাল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, এতিমখানার সভাপতি অনুপস্থিত থাকায় আমি বিল উত্তোলন করেছি। আমি সভাপতির সাথে কথা বলেই স্বাক্ষর দিয়ে তিনটি বিল উত্তোলন করেছি।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা রহুল আমীন বলেন, এই বিষয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও অফিস কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছি। শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জোবায়ের এই প্রতিবেদককে বলেন, এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।ে

জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ইসলামপুরে স্বাক্ষর জাল করে এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় স্বাক্ষর জাল করে ক্যাপিটেশন গ্রান্ড প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সুপারের বিরুদ্ধে।

স্বাক্ষর জালয়াতি ও এতিমের অর্থ আত্বস্বাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ও দুদকে অভিযোগ দাখিল করেছেন এতিম খানা কমিটির সভাপতি। অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউএনও তদন্ত টিম গঠন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চর পুটিমারী ইউনিয়নের বেনুয়ারচর আশরাফুল উলূম হাফেজিয়া মাদরাসা ও আব্দুল মালেক মন্ডল এতিমখানার ২২ জন শিক্ষার্থীকে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক সরকারের ক্যাপিটেশন গ্রান্ড প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতিমখানার সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সুরুজ, সুপার আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন। সকল দেখভালের দ্বায়িত্ব সুপারকেই দিয়েই করিয়ে থাকেন।

এই সরলতার সুযোগে সুপার সভাপতিকে না জানিয়ে তার স্বাক্ষর জাল করে গত ২১ মাসের তিনটি বিলের মাধ্যমে প্রায় ছয় লাখ টাকা উত্তোলন করেন। বিষয়টি সভাপতির দৃষ্টিগোচর হলে সুপারকে তার স্বাক্ষর জাল করার কারণ জানতে চান। দ্রুত বিল উত্তোলন করা দরকার আপনাকে না পেয়ে আপনার স্বাক্ষর আমি প্রদান করেছি বলে সুপার জবাব দেন। এ সময় উত্তোলিত অর্থের হিসাব জানতে চাইলে সুপার তালবাহনা করায় ১০ আগস্ট সভাপতি ইউএনও ও দুদক বরাবর স্বাক্ষর জালিয়াতি ও এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দাখিল করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে দাবি জানান।

স্থানীয়রা জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত ক্যাপিটেশন গ্রান্ড প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অন্যায়। যেখানে ধর্মীয় শিক্ষা, আচার-আচরণ ও নৈতিকতার বন্ধন তৈরি হওয়ার কথা সেখানে, যদি দুর্নীতি ও অনিয়ম হয় তাহলে অচিরেই দমন করা প্রয়োজন। তারা স্বাক্ষর জাল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, এতিমখানার সভাপতি অনুপস্থিত থাকায় আমি বিল উত্তোলন করেছি। আমি সভাপতির সাথে কথা বলেই স্বাক্ষর দিয়ে তিনটি বিল উত্তোলন করেছি।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা রহুল আমীন বলেন, এই বিষয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও অফিস কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছি। শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জোবায়ের এই প্রতিবেদককে বলেন, এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।ে