ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা সমাপ্ত বকশীগঞ্জে মাটিকাটার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা জামালপুরে জেলা শ্রমিকদলের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালপুর সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন দেওয়ানগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত জামালপুরে মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিরোধে করণীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে নাশকতা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যের পিএস গ্রেপ্তার

ইসলামপুরে ৯ শিক্ষকের বিদ্যালয়ে ৩ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য

ইসলামপুর : ইসলামপুর বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠান একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদরাসা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠান গুলো হল- ইসলামপুরের কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ইসলামপুর বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা।

জানা গেছে, কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নয়জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র তিনজন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়ে একজনকেও কৃতকার্য করাতে পারেননি। এছাড়াও আটজন শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত একই উপজেলার বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ১৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়া কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

ইসলামপুর কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহ এই প্রতিবেদককে বলেন, গত বছর পাঠদানের অনুমতি পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা। নিবন্ধন ও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয় যাচাইয়ের জন্য তিনজন শিক্ষার্থীকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা সুপার হাবিবুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক সংকট থাকায় শিক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘কদমতলী ক্বারী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের কেউই পাশ করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে ৯ জন শিক্ষক রয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে আমরা তাদের কাছে জবাবদিহিতা চাইব। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হইবে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

ইসলামপুরে ৯ শিক্ষকের বিদ্যালয়ে ৩ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য

আপডেট সময় ১০:৩৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠান একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদরাসা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠান গুলো হল- ইসলামপুরের কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ইসলামপুর বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা।

জানা গেছে, কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নয়জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র তিনজন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়ে একজনকেও কৃতকার্য করাতে পারেননি। এছাড়াও আটজন শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত একই উপজেলার বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ১৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়া কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

ইসলামপুর কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহ এই প্রতিবেদককে বলেন, গত বছর পাঠদানের অনুমতি পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা। নিবন্ধন ও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয় যাচাইয়ের জন্য তিনজন শিক্ষার্থীকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদরাসা সুপার হাবিবুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক সংকট থাকায় শিক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘কদমতলী ক্বারী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের কেউই পাশ করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে ৯ জন শিক্ষক রয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে আমরা তাদের কাছে জবাবদিহিতা চাইব। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হইবে।