ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল

জামালপুর : ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ইত্তেফাকুল উলামাদের মিছিল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের পরিবর্তে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার সকালে জামালপুর শহরের জিগাতলা এলাকায় পিটিআই জামে মসজিদের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সভাপতি মুফফি শামসুদ্দীন। জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা হাসান আলী, মুফতি আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ আলী খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আকবর, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি ফরিদ উদ্দিন, মেলান্দহ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি সোলায়মান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি আকরামুজ্জামান প্রমুখ।

ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সভাপতি মুফফি শামসুদ্দীন বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান ও জনগণ প্রত্যেকে যাতে নিরাপদে থাকে। প্রত্যেকে যাতে শান্তিতে থাকে। সকলের ভবিষ্যৎ যাতে ভাল হয়। এই জিনিসগুলোয় উলামা একরামগণ সব সময় দৃষ্টি দিয়ে থাকেন। আমরা যারা সংগ্রাম করি। সরকারের কাছে দাবি করি। এইটা শুধু আমাদের উলামা একরামদের দাবি না। এটা প্রত্যেকের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার জন্য যত ধর্মাবলম্বী আছে  সকলের দাবি। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে থাকে তার জন্য আমাদের এত বড় উদ্যােগ।

তিনি আরও বলেন, যদি আপনাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তা হলে ৫ আগস্টের মত আবার একটা গণঅভ্যুত্থান বাংলার জমিনে হবে। উলামা একরামসহ সারা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের দাবি প্রত্যেকটি স্কুলে ইসলাম শিক্ষক ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক। ধর্মীয় শিক্ষক প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যদি নিয়োগ না দেওয়া হয়, তা হলে আপনাদের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম হবে। সেই সংগ্রামে যে বেগ শুরু হবে। আপনি যেন হাওয়ার উদ্দেশ্যে উড়তে বাধ্য হন।

তিনি আরও বলেন, আপনাকে বসানো হয়েছে এদেশের সংস্কার করার জন্য। এমন তো নয় আপনি গান দিয়ে সংস্কার করবেন। এটা এদেশের ৯২ শতাংশ মুসলমান কিছুতেই মানতে পারে না। আমাদের মনের কথা বোঝার চেষ্টা করেন। না বুঝলে সামনে বিপদে পড়বেন। সুতরাং আজকে সমাবেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এই অনুরোধ। কেবলমাত্র সংগ্রাম শুরু হয়েছে। ইত্তেফাকুল উলামা, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিসসহ যারা আছে সবগুলো সংগঠন একত্রিত হয়ে সংগীত শিক্ষক বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবো।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তমালতলা মোড় গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগমের কাছে স্মারকলিপি দেন নেতৃবৃন্দ। প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু

ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল

আপডেট সময় ১০:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের পরিবর্তে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার সকালে জামালপুর শহরের জিগাতলা এলাকায় পিটিআই জামে মসজিদের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সভাপতি মুফফি শামসুদ্দীন। জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা হাসান আলী, মুফতি আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ আলী খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আকবর, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি ফরিদ উদ্দিন, মেলান্দহ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি সোলায়মান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি আকরামুজ্জামান প্রমুখ।

ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সভাপতি মুফফি শামসুদ্দীন বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান ও জনগণ প্রত্যেকে যাতে নিরাপদে থাকে। প্রত্যেকে যাতে শান্তিতে থাকে। সকলের ভবিষ্যৎ যাতে ভাল হয়। এই জিনিসগুলোয় উলামা একরামগণ সব সময় দৃষ্টি দিয়ে থাকেন। আমরা যারা সংগ্রাম করি। সরকারের কাছে দাবি করি। এইটা শুধু আমাদের উলামা একরামদের দাবি না। এটা প্রত্যেকের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার জন্য যত ধর্মাবলম্বী আছে  সকলের দাবি। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে থাকে তার জন্য আমাদের এত বড় উদ্যােগ।

তিনি আরও বলেন, যদি আপনাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তা হলে ৫ আগস্টের মত আবার একটা গণঅভ্যুত্থান বাংলার জমিনে হবে। উলামা একরামসহ সারা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের দাবি প্রত্যেকটি স্কুলে ইসলাম শিক্ষক ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক। ধর্মীয় শিক্ষক প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যদি নিয়োগ না দেওয়া হয়, তা হলে আপনাদের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম হবে। সেই সংগ্রামে যে বেগ শুরু হবে। আপনি যেন হাওয়ার উদ্দেশ্যে উড়তে বাধ্য হন।

তিনি আরও বলেন, আপনাকে বসানো হয়েছে এদেশের সংস্কার করার জন্য। এমন তো নয় আপনি গান দিয়ে সংস্কার করবেন। এটা এদেশের ৯২ শতাংশ মুসলমান কিছুতেই মানতে পারে না। আমাদের মনের কথা বোঝার চেষ্টা করেন। না বুঝলে সামনে বিপদে পড়বেন। সুতরাং আজকে সমাবেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এই অনুরোধ। কেবলমাত্র সংগ্রাম শুরু হয়েছে। ইত্তেফাকুল উলামা, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিসসহ যারা আছে সবগুলো সংগঠন একত্রিত হয়ে সংগীত শিক্ষক বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবো।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তমালতলা মোড় গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগমের কাছে স্মারকলিপি দেন নেতৃবৃন্দ। প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।