জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের সাথে থানায় গিয়ে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন জোড়খালী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. রমিজ। ১৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে থানা চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি স্থানীয় কলাদহ মির্জা মোস্তফা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আল মামুন বলেন, জোড়খালী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. রমিজ নাশকতা মামলার তদন্তে প্রকাশিত আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের সাথে থানায় আসেন। বিষয়টি জানার পর থানায় কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও জরুরি কর্মকর্তার মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে তাকে জামালপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ওসি মো. হাসান আল মামুন আরও বলেন, এছাড়াও একই রাতে চাঁদাবাজি করার সময় চাঁদার রশিদ এবং টাকাসহ ফেলুর মোড় এলাকা থেকে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। তাদেরকেও জামালপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বিএনপি নেতা জানান, একজন বিএনপি নেতা কিভাবে গণহত্যাকারী দলের নেতাকে থানায় নিয়ে যান। বিষয়টি আমরা মানতে পারছি না। অভিযুক্ত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।
মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনজুর কাদের বাবুল খান বলেন, এ বিষয়ে আমি মাত্র শুনলাম। তাও আপনাদের কাছ থেকে। একটা বিষয়ে সম্পূর্ণ না জেনে কিছু বলতে পারছি না।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জোড়খালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে সংযোগ পেলেও সাড়া দেননি তিনি।
খাদেমুল ইসলাম : সংবাদদাতা মাদারগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 



















