ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দু’দিন আগে দেশ ও জাতির স্বার্থে শাহাদাত বরণকারী মহান বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাষ্ট্র প্রধান স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেখানে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্যালুট প্রদান করে। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

পরে রাষ্ট্রপতি সেখানে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন।

এর আগে, রাষ্ট্রপতি শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান।

৫০ বছর আগে এই দিনে, দেশের স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের স্থানীয় সহযোগী আলবদর, রাজাকার এবং আল-শামস এর সাথে যোগসাজশে দেশের সবচেয়ে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল। সদ্য উদীয়মান বাংলাদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করে দেয়।

১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে অধ্যাপক, সাংবাদিক, লেখক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও শিল্পীসহ মাটির দুই শতাধিক কৃতী সন্তানকে নিজ নিজ বাসভবন থেকে অপহরণের পর জিম্মি করে তাদের চোখ বেঁধে টর্চার সেলে নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুর, মোহাম্মদপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে।
পরবর্তীকালে, রায়েরবাজার এবং মিরপুরের বিভিন্ন স্থানে তাদের গণহত্যা করা হয়।

১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যারা খুনিদের রোষানলে পড়ে তাদের মধ্যে ছিলেন ড. আলীম চৌধুরী, ড. ফজলে রাব্বি, সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দিন হোসেন, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান এবং সেলিনা পারভীন এবং সাহিত্যিক মুনীর চৌধুরী।

এর পর থেকে দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দু’দিন আগে দেশ ও জাতির স্বার্থে শাহাদাত বরণকারী মহান বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাষ্ট্র প্রধান স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেখানে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্যালুট প্রদান করে। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

পরে রাষ্ট্রপতি সেখানে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন।

এর আগে, রাষ্ট্রপতি শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান।

৫০ বছর আগে এই দিনে, দেশের স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের স্থানীয় সহযোগী আলবদর, রাজাকার এবং আল-শামস এর সাথে যোগসাজশে দেশের সবচেয়ে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল। সদ্য উদীয়মান বাংলাদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করে দেয়।

১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে অধ্যাপক, সাংবাদিক, লেখক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও শিল্পীসহ মাটির দুই শতাধিক কৃতী সন্তানকে নিজ নিজ বাসভবন থেকে অপহরণের পর জিম্মি করে তাদের চোখ বেঁধে টর্চার সেলে নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুর, মোহাম্মদপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে।
পরবর্তীকালে, রায়েরবাজার এবং মিরপুরের বিভিন্ন স্থানে তাদের গণহত্যা করা হয়।

১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যারা খুনিদের রোষানলে পড়ে তাদের মধ্যে ছিলেন ড. আলীম চৌধুরী, ড. ফজলে রাব্বি, সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দিন হোসেন, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান এবং সেলিনা পারভীন এবং সাহিত্যিক মুনীর চৌধুরী।

এর পর থেকে দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।