ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জামালপুর সদর জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুর জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে গত জুলাই ও আগস্ট মাসে মাত্র ৩২ কার্যদিবসে রেকর্ড সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তির খবর পাওয়া গেছে। এসময়ে মধ্যে ৪৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়।

আদালত সূত্র জানায়, উল্লেখিত কার্যদিবসে ৫০৮টি সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে এক তরফা সাক্ষী গ্রহণ করা হয় ১৪৪টি ও দুতরফা সাক্ষী গ্রহণ করা হয় ৩৬৪টি। এক তরফা আদেশ দেওয়া হয় ৬৮টি ও দুতরফা রায় দেওয়া হয় ৩০টি। ছয়টি এডিআর নিষ্পত্তিসহ খারিজ ও প্রত্যাহার মিলে ৩৪৪টি নিষ্পত্তি করা হয়। পূর্বের মামলা ছিলো ২ হাজার ৬৮৭টি। নিষ্পত্তির পর বর্তমানে সদর আদালতে মামলা বিচারাধীন আছে ২ হাজার ২৩৯টি।

জানা যায়, ওই আদালতের বিচারক ইকবাল মাহমুদ মামলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটি মামলা তদারকি করেন এবং সেই মামলাগুলোতে বিজ্ঞ বিচারক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিজ হাতে গ্রহণ করেন। এছাড়া এজলাসেই গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর আদেশ প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিনের পুরনো মামলাগুলো বিজ্ঞ বিচারক মহোদয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য সর্বাত্বক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গত ২৫ আগস্ট মিলিটারি ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার আগে মাত্র ১৬ কার্যদিবসে ২১৭টি মামলা নিস্পত্তি করে গেছেন বিচারক ইকবাল মাহমুদ।

আদালতের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত সংশিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারিরা জানান বিজ্ঞ বিচারক ইকবাল মাহমুদ নিবিড়ভাবে প্রতিটি মামলা পর্যবেক্ষণ এবং চর্চা করে থাকেন। তার আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠা উদাহরণ দেওয়ার মতো। তিনি টিম ওয়ার্ক এবং প্রতিটি কাজে স্টাফদের সহায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। তিনি ওই আদালতে যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

একাধিক আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিচারকাজে গতিশীলতা এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ইকবাল মাহমুদ সাহেব অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন। প্রত্যেক বিচারক এমন গতি নিয়ে কাজ করলে জমে থাকা মামলার পাহাড় ভেঙে যাবে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার রায় পেয়ে জনৈক বাদী আবেগ আপ্লুত ভাষায় এ প্রতিনিধিকে জানান, এত তাড়াতাড়ি মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় আমরা খুশি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জামালপুর সদর জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি

আপডেট সময় ০৭:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুর জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে গত জুলাই ও আগস্ট মাসে মাত্র ৩২ কার্যদিবসে রেকর্ড সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তির খবর পাওয়া গেছে। এসময়ে মধ্যে ৪৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়।

আদালত সূত্র জানায়, উল্লেখিত কার্যদিবসে ৫০৮টি সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে এক তরফা সাক্ষী গ্রহণ করা হয় ১৪৪টি ও দুতরফা সাক্ষী গ্রহণ করা হয় ৩৬৪টি। এক তরফা আদেশ দেওয়া হয় ৬৮টি ও দুতরফা রায় দেওয়া হয় ৩০টি। ছয়টি এডিআর নিষ্পত্তিসহ খারিজ ও প্রত্যাহার মিলে ৩৪৪টি নিষ্পত্তি করা হয়। পূর্বের মামলা ছিলো ২ হাজার ৬৮৭টি। নিষ্পত্তির পর বর্তমানে সদর আদালতে মামলা বিচারাধীন আছে ২ হাজার ২৩৯টি।

জানা যায়, ওই আদালতের বিচারক ইকবাল মাহমুদ মামলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটি মামলা তদারকি করেন এবং সেই মামলাগুলোতে বিজ্ঞ বিচারক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিজ হাতে গ্রহণ করেন। এছাড়া এজলাসেই গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর আদেশ প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিনের পুরনো মামলাগুলো বিজ্ঞ বিচারক মহোদয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য সর্বাত্বক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গত ২৫ আগস্ট মিলিটারি ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার আগে মাত্র ১৬ কার্যদিবসে ২১৭টি মামলা নিস্পত্তি করে গেছেন বিচারক ইকবাল মাহমুদ।

আদালতের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত সংশিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারিরা জানান বিজ্ঞ বিচারক ইকবাল মাহমুদ নিবিড়ভাবে প্রতিটি মামলা পর্যবেক্ষণ এবং চর্চা করে থাকেন। তার আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠা উদাহরণ দেওয়ার মতো। তিনি টিম ওয়ার্ক এবং প্রতিটি কাজে স্টাফদের সহায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। তিনি ওই আদালতে যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

একাধিক আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিচারকাজে গতিশীলতা এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ইকবাল মাহমুদ সাহেব অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন। প্রত্যেক বিচারক এমন গতি নিয়ে কাজ করলে জমে থাকা মামলার পাহাড় ভেঙে যাবে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার রায় পেয়ে জনৈক বাদী আবেগ আপ্লুত ভাষায় এ প্রতিনিধিকে জানান, এত তাড়াতাড়ি মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় আমরা খুশি।