ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ায় টাইফুনে ১০ জনের মৃত্যু

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ দক্ষিণ কোরিয়ায় টাইফুন হিন্নামোরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর কর্তৃপক্ষ এ খবর জানিয়েছে।

দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হানা টাইফুনের কারনে চলতি সপ্তাহে বড়ো বড়ো ঢেউ ও প্রবল বৃষ্টি দেখা দেয়।

বিগত কয়েক দশকের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম শক্তিশালী ঝড়। সোমবার ও মঙ্গলবার বয়ে যাওয়া এ ঝড়ের কারনে সৃষ্ট বন্যায় রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর ডুবে গেছে।

সেন্ট্রাল ডিজাস্টার এন্ড সেফটি কাউন্টারমেজার্স হেডকোয়াটার্স থেকে বলা হয়েছে, ঝড়ে অন্যতম বিধ্বস্ত বন্দরনগরী পোহাংয়ে সাতটি লাশ ও জীবিত দুজনকে উদ্ধার করা হয়।

বুধবারও উদ্ধার অভিযান চলছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

টাইফুনের কারণে চার হাজার সাতশ’রও বেশি লোক বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এতে প্রায় ১২ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৯০ হাজার বাড়িঘর বিদ্যুবিহীন হয়ে পড়েছে।

টাইফুন আঘাত হানার আগে দেশটির কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ছয়শ’রও বেশি স্কুল বন্ধ এবং স্থানীয় এয়ারলাইন্সের ২৫০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দক্ষিণ কোরিয়ায় টাইফুনে ১০ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ দক্ষিণ কোরিয়ায় টাইফুন হিন্নামোরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর কর্তৃপক্ষ এ খবর জানিয়েছে।

দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হানা টাইফুনের কারনে চলতি সপ্তাহে বড়ো বড়ো ঢেউ ও প্রবল বৃষ্টি দেখা দেয়।

বিগত কয়েক দশকের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম শক্তিশালী ঝড়। সোমবার ও মঙ্গলবার বয়ে যাওয়া এ ঝড়ের কারনে সৃষ্ট বন্যায় রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর ডুবে গেছে।

সেন্ট্রাল ডিজাস্টার এন্ড সেফটি কাউন্টারমেজার্স হেডকোয়াটার্স থেকে বলা হয়েছে, ঝড়ে অন্যতম বিধ্বস্ত বন্দরনগরী পোহাংয়ে সাতটি লাশ ও জীবিত দুজনকে উদ্ধার করা হয়।

বুধবারও উদ্ধার অভিযান চলছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

টাইফুনের কারণে চার হাজার সাতশ’রও বেশি লোক বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এতে প্রায় ১২ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৯০ হাজার বাড়িঘর বিদ্যুবিহীন হয়ে পড়েছে।

টাইফুন আঘাত হানার আগে দেশটির কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ছয়শ’রও বেশি স্কুল বন্ধ এবং স্থানীয় এয়ারলাইন্সের ২৫০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।