ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আগুনে পুড়ে পরিবারের সবার মৃত্যু

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
জয়পুরহাটে আগুনে পুড়ে এক পরিবারের সবাই মারা গেছেন। পরিবারটি সদস্য সংখ্যা ছিলো ৮ জন। যাদের কেউই বেঁচে নেই।

৮ নভেম্বর সকালে ঢাকায় নেয়ার পথে টাঙ্গাইলে সবশেষে মারা যান দুলাল হোসেন (৬৫)। তিনি ওই পরিবারেরই সদস্য। ৭ নভেম্বর রাতে শহরের আরামনগর এলাকায় বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দগ্ধদের দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে যমুনা সেতু পার হওয়ার আগেই ৮ নভেম্বর ভোরে চারজনের মৃত্যু হয়। দুলাল হোসেন বেঁচে থাকায় তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বাকি লাশগুলো নিয়ে ঢাকার দিকেই যাচ্ছিল। পথে টাঙ্গাইলে পৌঁছালে সকালে দুলাল হোসেনও মারা যান। তখন ওই অ্যাম্বুলেন্সটিও জয়পুরহাটের উদ্দেশে ফিরে যায়।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন আরামনগর এলাকার দুলাল হোসেন (৬৫), তার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৬০), ছেলে মোমিন আহম্মেদ (৩৫), মেয়ে জেএসসি পরিক্ষার্থী বৃষ্টি (১৪), দুলালের জমজ মেয়ে হাসি (১৫), খুশি (১৫), মোমিনের স্ত্রী পরিনা বেগম (৩২) ও দেড় বছরের ছেলে নূর।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী আহসান ও রমিছা বেগম বলেন, আগুন দেখে আমরা এগিয়ে গিয়ে জানালা ভেঙে একই পরিবারের আটজনের মধ্যে শিশুসহ পাঁচজনকে বের করে আনতে পারলেও আগুনের তাপের কারণে বাকিদের বের করতে পারিনি আমরা।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাতে মোমেনা বেগম বাসায় রাইস কুকারে রান্না করছিলেন। এ সময় বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পুরো বাড়ি পুড়ে গিয়ে সেখানেই তিনজন নিহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করায়।

আহতদের সকলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয় দুটি অ্যাম্বুলেন্স।

জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট মিলে আমরা আগুন নেভাতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাইস কুকারের শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু

আগুনে পুড়ে পরিবারের সবার মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:৫০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
জয়পুরহাটে আগুনে পুড়ে এক পরিবারের সবাই মারা গেছেন। পরিবারটি সদস্য সংখ্যা ছিলো ৮ জন। যাদের কেউই বেঁচে নেই।

৮ নভেম্বর সকালে ঢাকায় নেয়ার পথে টাঙ্গাইলে সবশেষে মারা যান দুলাল হোসেন (৬৫)। তিনি ওই পরিবারেরই সদস্য। ৭ নভেম্বর রাতে শহরের আরামনগর এলাকায় বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দগ্ধদের দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে যমুনা সেতু পার হওয়ার আগেই ৮ নভেম্বর ভোরে চারজনের মৃত্যু হয়। দুলাল হোসেন বেঁচে থাকায় তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বাকি লাশগুলো নিয়ে ঢাকার দিকেই যাচ্ছিল। পথে টাঙ্গাইলে পৌঁছালে সকালে দুলাল হোসেনও মারা যান। তখন ওই অ্যাম্বুলেন্সটিও জয়পুরহাটের উদ্দেশে ফিরে যায়।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন আরামনগর এলাকার দুলাল হোসেন (৬৫), তার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৬০), ছেলে মোমিন আহম্মেদ (৩৫), মেয়ে জেএসসি পরিক্ষার্থী বৃষ্টি (১৪), দুলালের জমজ মেয়ে হাসি (১৫), খুশি (১৫), মোমিনের স্ত্রী পরিনা বেগম (৩২) ও দেড় বছরের ছেলে নূর।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী আহসান ও রমিছা বেগম বলেন, আগুন দেখে আমরা এগিয়ে গিয়ে জানালা ভেঙে একই পরিবারের আটজনের মধ্যে শিশুসহ পাঁচজনকে বের করে আনতে পারলেও আগুনের তাপের কারণে বাকিদের বের করতে পারিনি আমরা।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাতে মোমেনা বেগম বাসায় রাইস কুকারে রান্না করছিলেন। এ সময় বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পুরো বাড়ি পুড়ে গিয়ে সেখানেই তিনজন নিহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করায়।

আহতদের সকলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয় দুটি অ্যাম্বুলেন্স।

জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট মিলে আমরা আগুন নেভাতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাইস কুকারের শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ