ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নারী এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান ইসলামপুরে ১২৮টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, দিনদিন ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য-অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে মাদারগঞ্জে পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শুভ উদ্বোধন মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ান আহত, সাব-জোনাল অফিস ঘেরাও-ভাঙচুর শেরপুর যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জামালপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে অধ্যাদেশ জারি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২০’ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয় ; এবং যেহেতু সংসদ অধিবেশন চলমান নেই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন। এই অধ্যাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২০ নামে অভিহিত হইবে।’

অধ্যাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৮ নং আইনের ধারা ৭, ধারা ৯ এর উপধারা (১), (৪), ১৯ এর উপধারা (১), ধারা ২০ ও ধারা ৩২ এ সংশোধনী আনা হয়েছে।

সংসদ অধিবেশন চলমান না থাকায় এটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনে পরিণত হলো। নিয়ম অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এটি আইন আকারে পাস হবে।

সংশোধিত আইনে বলা হয়, ২০০০ সালের ৮নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধনে জারি করা অধ্যাদেশে ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে।

আগের আইনে ‘অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষার’ কথা বলা ছিল। অধ্যাদেশে ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে। এছাড়াও ‘অপরাধের শিকার ব্যক্তির’ কথা বলা ছিল। অধ্যাদেশে ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে।

অধ্যাদেশে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) পরীক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা-৩২ এর অধীন মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াও উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সালের ১০ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।

১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গত কিছুদিনের ঘটনার প্রেক্ষিতে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধগুলো কঠোরভাবে দমনের জন্য প্রস্তাব আনা হয়। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী সহ সবাই এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন এবং পরবর্তীকালে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে, প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য এবং অবিলম্বে আনা প্রয়োজন। যেহেতু সংসদ কার্যকর নাই, সেজন্য এটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে জারি করা হবে। লেজিসলেটিভ বিভাগের মতামতের প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে অধ্যাদেশ জারি

আপডেট সময় ০৭:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২০’ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয় ; এবং যেহেতু সংসদ অধিবেশন চলমান নেই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন। এই অধ্যাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২০ নামে অভিহিত হইবে।’

অধ্যাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৮ নং আইনের ধারা ৭, ধারা ৯ এর উপধারা (১), (৪), ১৯ এর উপধারা (১), ধারা ২০ ও ধারা ৩২ এ সংশোধনী আনা হয়েছে।

সংসদ অধিবেশন চলমান না থাকায় এটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনে পরিণত হলো। নিয়ম অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এটি আইন আকারে পাস হবে।

সংশোধিত আইনে বলা হয়, ২০০০ সালের ৮নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধনে জারি করা অধ্যাদেশে ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে।

আগের আইনে ‘অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষার’ কথা বলা ছিল। অধ্যাদেশে ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে। এছাড়াও ‘অপরাধের শিকার ব্যক্তির’ কথা বলা ছিল। অধ্যাদেশে ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে।

অধ্যাদেশে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) পরীক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা-৩২ এর অধীন মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াও উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সালের ১০ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।

১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গত কিছুদিনের ঘটনার প্রেক্ষিতে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধগুলো কঠোরভাবে দমনের জন্য প্রস্তাব আনা হয়। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী সহ সবাই এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন এবং পরবর্তীকালে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে, প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য এবং অবিলম্বে আনা প্রয়োজন। যেহেতু সংসদ কার্যকর নাই, সেজন্য এটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে জারি করা হবে। লেজিসলেটিভ বিভাগের মতামতের প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।