ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

মেলান্দহে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

ছবিটি প্রতীকী

ছবিটি প্রতীকী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় হতদরিদ্র পরিবারের চৌদ্দ বছরের এক কিশোরী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ৩টার দিকে বখাটে মিজানের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক তাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে বাড়ির পেছনের মরিচক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে কেটে পড়ে। উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের চর জালালেরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩০ মার্চ দুপুরে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মেলান্দহ উপজেলার টগারচর গ্রামের হাবলু মিয়ার ছেলে মিজান (২০) ও একই উপজেলার রুহিলী গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে রাশেদুল ইসলাম পোসনসহ (২১) অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটির প্রধান আসামি বখাটে মিজানকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে ৩০ মার্চ দুপুরে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই দিন বিকেলে তার ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বখাটে মিজান ও রাশেদুল ইসলাম পোসন পাশের গ্রামের বাসিন্দা। তারা দুজন কয়েকজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে ২৯ মার্চ রাত ৩টার দিকে পানি খাওয়ার কথা বলে ওই কিশোরীর ঘরে ঢুকে তার বাবা-মায়ের সামনেই তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বাড়ির কাছেই মরিচক্ষেতে নিয়ে যায়। তারা কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। ৩০ মার্চ ভোররাতে তার বাবা তাকে মরিচক্ষেত থেকে উদ্ধার করে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই কিশোরী বর্তমানে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘মামলাটির প্রধান আসামি মিজানকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

মেলান্দহে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় ১২:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০
ছবিটি প্রতীকী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় হতদরিদ্র পরিবারের চৌদ্দ বছরের এক কিশোরী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ৩টার দিকে বখাটে মিজানের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক তাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে বাড়ির পেছনের মরিচক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে কেটে পড়ে। উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের চর জালালেরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩০ মার্চ দুপুরে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মেলান্দহ উপজেলার টগারচর গ্রামের হাবলু মিয়ার ছেলে মিজান (২০) ও একই উপজেলার রুহিলী গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে রাশেদুল ইসলাম পোসনসহ (২১) অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটির প্রধান আসামি বখাটে মিজানকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে ৩০ মার্চ দুপুরে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই দিন বিকেলে তার ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বখাটে মিজান ও রাশেদুল ইসলাম পোসন পাশের গ্রামের বাসিন্দা। তারা দুজন কয়েকজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে ২৯ মার্চ রাত ৩টার দিকে পানি খাওয়ার কথা বলে ওই কিশোরীর ঘরে ঢুকে তার বাবা-মায়ের সামনেই তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বাড়ির কাছেই মরিচক্ষেতে নিয়ে যায়। তারা কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। ৩০ মার্চ ভোররাতে তার বাবা তাকে মরিচক্ষেত থেকে উদ্ধার করে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই কিশোরী বর্তমানে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘মামলাটির প্রধান আসামি মিজানকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।’