ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণের খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে এমপি’র গাড়ি ভাংচুর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফিরোজ মিয়া’র উঠান বৈঠক সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঈদে ইন্টারনেট ও অ্যাপে রেলের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৮৭টি টিকিট বিক্রি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: এবারের ঈদ উপলক্ষে ইন্টারনেট ও অ্যাপ ব্যবহার করে রেলপথ যাত্রীরা ট্রেনে যাতায়াতের জন্য ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৮৭টি টিকিট ক্রয় করেছে।

১০ জুন এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, ট্রেন যাত্রীরা ইন্টারনেট ও অ্যাপ ব্যবহার করে এসব টিকিট ক্রয় করে।

এতে বলা হয়, যাত্রী সাধারণ নিজের স্মার্টফোনে টিকিট ক্রয় করার ফলে কাউন্টারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভিড় কমেছে। টাইম, কষ্ট ও ভিজিট কমিয়ে রেলওয়ে যাত্রীদের টিকিট প্রাপ্তি সহজ করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয় রেলওয়ের ওয়ান স্টপ টিকিটিং সার্ভিস ‘রেলসেবা’ নামে এই অ্যাপ চালু করেছে। এবার ঈদে এই অ্যাপটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে ।

অতিসম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রেলসেবা’ অ্যাপটি রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক যৌথভাবে উদ্বোধন করেন। এই অ্যাপের মধ্যে টিকিট ক্রয়ের পাশাপাশি ট্রেনের সাধারণ তথ্য, সময়সূচি ও সিটের তথ্য রয়েছে। এছাড়া এসএমএস ভিত্তিক ট্রেন ট্র্যাকিং, ট্রেনে বসে খাবারের অর্ডার দেয়া ও ট্রেনের যাত্রার অভিজ্ঞতার রেটিং দেয়ার সুবিধা রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্র থেকে জানা যায়, এ পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী ও ১০ হাজার ৫১৭ জন আইওএস ব্যবহারকারী টিকিট ক্রয়ের জন্য অ্যাপসটি ডাউনলোড করেছেন।

এছাড়া সরাসরি ই-টিকিট ব্যবহার করে ভ্রমণের সুযোগ থাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত টিকিট প্রিন্ট করার ঝামেলা না থাকায় যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ট্রেনে উঠতে পেরেছেন।

এছাড়া, অ্যাপ ব্যবহারের ফলে যাত্রীর মোবাইল ফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর, বয়স, লিঙ্গ, নাম ও ঠিকানার তথ্য সার্ভারে সংরক্ষিত থাকায় ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সেটি টিকিটের গায়ে লেখা থাকায় টিকিটগুলি কাউন্টারে বিক্রিত টিকিটের ন্যায় কালো বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। এর ফলে টিকিট কালোবাজারীও ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঈদে ইন্টারনেট ও অ্যাপে রেলের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৮৭টি টিকিট বিক্রি

আপডেট সময় ০৮:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: এবারের ঈদ উপলক্ষে ইন্টারনেট ও অ্যাপ ব্যবহার করে রেলপথ যাত্রীরা ট্রেনে যাতায়াতের জন্য ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৮৭টি টিকিট ক্রয় করেছে।

১০ জুন এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, ট্রেন যাত্রীরা ইন্টারনেট ও অ্যাপ ব্যবহার করে এসব টিকিট ক্রয় করে।

এতে বলা হয়, যাত্রী সাধারণ নিজের স্মার্টফোনে টিকিট ক্রয় করার ফলে কাউন্টারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভিড় কমেছে। টাইম, কষ্ট ও ভিজিট কমিয়ে রেলওয়ে যাত্রীদের টিকিট প্রাপ্তি সহজ করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয় রেলওয়ের ওয়ান স্টপ টিকিটিং সার্ভিস ‘রেলসেবা’ নামে এই অ্যাপ চালু করেছে। এবার ঈদে এই অ্যাপটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে ।

অতিসম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রেলসেবা’ অ্যাপটি রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক যৌথভাবে উদ্বোধন করেন। এই অ্যাপের মধ্যে টিকিট ক্রয়ের পাশাপাশি ট্রেনের সাধারণ তথ্য, সময়সূচি ও সিটের তথ্য রয়েছে। এছাড়া এসএমএস ভিত্তিক ট্রেন ট্র্যাকিং, ট্রেনে বসে খাবারের অর্ডার দেয়া ও ট্রেনের যাত্রার অভিজ্ঞতার রেটিং দেয়ার সুবিধা রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্র থেকে জানা যায়, এ পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী ও ১০ হাজার ৫১৭ জন আইওএস ব্যবহারকারী টিকিট ক্রয়ের জন্য অ্যাপসটি ডাউনলোড করেছেন।

এছাড়া সরাসরি ই-টিকিট ব্যবহার করে ভ্রমণের সুযোগ থাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত টিকিট প্রিন্ট করার ঝামেলা না থাকায় যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ট্রেনে উঠতে পেরেছেন।

এছাড়া, অ্যাপ ব্যবহারের ফলে যাত্রীর মোবাইল ফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর, বয়স, লিঙ্গ, নাম ও ঠিকানার তথ্য সার্ভারে সংরক্ষিত থাকায় ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সেটি টিকিটের গায়ে লেখা থাকায় টিকিটগুলি কাউন্টারে বিক্রিত টিকিটের ন্যায় কালো বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। এর ফলে টিকিট কালোবাজারীও ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। সূত্র : বাসস