হাতে-কলমে পুষ্টি বাগান করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ক ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা প্রদান, যেন অভিজ্ঞতা পরিবার ও সমাজে প্রয়োগ করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে অবদান রাখে এ উদ্দেশ্য সামনে রেখে জামালপুরে ৪৮ দিনের কৃষক প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার জামালপুর সদর উপজেলার প্রশাসনের সভকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার। এতে প্রকল্পের ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের এপিসিও এর সিনিয়র ম্যানেজার অরবিন্দ সিলভেস্টার গমেজ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হক, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা দিলরুবা ইয়াসমিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সানজিদ ইয়াসমিন প্রাপ্তি। জামালপুর এপির এরিয়া ম্যানেজার বিমল জেমস কস্তা, উন্নয়ন সংঘের জামালপুর এপির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিনার পারভীন, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন আখতার বলেন, ৪৮ দিনের কৃষক প্রকল্পের মাধ্যমে ছাত্র, ছাত্রীরা কৃষি কাজের প্রতি আগ্রহী হবে। পরিশ্রমী হবে। জীবন দক্ষতা উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে। এতে করে স্কুল থেকে ঝরেপড়া রোধ হবে। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ হবে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে কর্মক্ষেত্র তৈরির প্রেরণা উৎস হবে। তিনি উপস্থিত প্রধান শিক্ষকদের প্রতি স্কুল প্রাঙ্গনে সবজি বাগান গড়ে তুলতে নির্দেশনা দেন। সদর উপজেলার ২০টি উচ্চ মাধ্যমিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আগত ২০ জন প্রধান শিক্ষক বাগান তৈরি করার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ধারণাপত্র সূত্রে জানা যায়, ৪৮ দিনের কৃষক প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আগের চেয়ে বেশি পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা এবং জলবায়ু সহনশীলতা উপভোগ করবে। লক্ষ্য অর্জনে মোট তিনটি উদ্দেশ্য, ছয়টি ফলাফল ও ২৮টি কাজ রয়েছে।
প্রকল্পের অন্যান্য উদ্দেশ্যের মধ্যে যুবসমাজের ক্ষমতায়ন বিশেষ করে মেয়েরা এবং প্রান্তিক যুবকদের, জলবায়ু-সচেতন, পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই কৃষি বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। সামাজিক প্রভাব ও খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভূক্তিমূলক: এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিতে ছেলে-মেয়ে অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাব সৃষ্টিতে অবদান রাখবে। খাদ্য বৈচিত্রতা বৃদ্ধি: পুষ্টি বাগান করার মাধ্যমে খাদ্যে বৈচিত্রতা বৃদ্ধি করবে।
প্রধান প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে স্থানীয়ভাবে পরিবার-পরিজনদের খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য পরিবর্তনের। বাহক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা (সচেতনতা সৃষ্টি। বিদ্যালয়, পরিবার ও সমাজ)। শিক্ষার্থীরা স্কুল এবং সমাজের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ সুশীল সমাজের অন্তর্গত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, জলবায়ু সচেতন কৃষি পদ্ধতি অনুশীলনের করে পরিবারভিত্তিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা (বিদ্যালয় ও বাড়িতে পুষ্টি বাগান)। পরিবার-পরিজনরা পুষ্টি বাগান স্থাপন করবে। জলবায়ু স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ।
স্থানীয়ভাবে পরিবার-পরিজনদের খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য পরিবর্তনের। বাহক হিসাবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা (সচেতনতা সৃষ্টি বিদ্যালয়, পরিবার ও সমাজ) (নয়টি কার্যক্রম)- শিক্ষার্থীরা স্কুল এবং সমাজের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে (তিনটি কার্যক্রম)। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপন কমিটিসহ সুশীল সমাজের অন্তর্গত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি (ছয়টি কার্যক্রম)। জলবায়ু সচেতন কৃষি পদ্ধতি অনুশীলনের করে পরিবার ভিত্তিক খাদ্য উৎপাদন । বৃদ্ধি ও পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা (বিদ্যালয় ও বাড়িতে পুষ্টি বাগান)। (চারটি কার্যক্রম)। পরিবার-পরিজনরা পুষ্টি বাগান স্থাপন করবে (দুটি কার্যক্রম)। জলবায়ু স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ (দুটি কার্যক্রম)।
জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম, উন্নয়ন সংঘ এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ আয়োজিত অবহিতকরণ সভায় সার্বিক সহায়তা করে জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 



















