ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন

মিরাজের দারুণ বোলিংয়ের পরও দ্বিতীয় দিন শেষে পিছিয়ে বাংলাদেশ

প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ২৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহী

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ২৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে দিন শেষে ১ উইকেটে ৫৭ রান করেছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসের বাংলাদেশের ১৯১ রানের জবাবে ২৭৩ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ ৫২ রানে ৫ উইকেট নেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার নাহিদ রানা। বেন কারানকে ১৮ রানে শিকার করেন রানা। হাফ-সেঞ্চুরি তুলে আউট হন ব্রায়ান বেনেট। রানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৫৭ রান করা বেনেট।

তিন নম্বরে নামা নিক ওয়েলচকে ২ রানে বোল্ড করেন আরেক পেসার হাসান মাহমুদ। ৮৮ রানে ৩ উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও সিন উইলিয়ামস। জুটিতে ৪১ রান যোগ হবার পর রানার তৃতীয় শিকার হন আরভিন। ৮ রান করেন তিনি।

১২৯ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর ৪৮ রান যোগ করেন সিন উইলিয়ামস ও ওয়েসলি মাধভেরে। ২৪ রান করা মাধভেরেকে বোল্ড করে জুটি ভাঙ্গেন পেসার খালেদ আহমেদ।

টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে লিড এনে দেন উইলিয়ামস। ৬টি চার ২টি ছক্কায় ৫৯ রান করে মিরাজের প্রথম শিকার হন উইলিয়ামস।

দলীয় ১৯৩ রানে উইলিয়ামসের আউটের পর জিম্বাবুয়ের লিড বড় করেছেন নিয়াশা মায়াভো, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি। মায়াভো ৩৫ ও মুজারাবানিকে ১৭ রানে থামান মিরাজ।

শেষ ব্যাটার ভিক্টর নিয়ুচিকে শিকার করে জিম্বাবুয়েকে ২৭৩ রানে গুটিয়ে দেন মিরাজ। জিম্বাবুয়ের শেষ ৫ উইকেটই নেন মিরাজ। ২০.২ ওভার বল করে ৫২ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ৫১ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এই নিয়ে ১১তমবার ইনিংসে পাঁচ বা ততোধিক উইকেট নিলেন মিরাজ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর দেশের মাটিতে ৫ উইকেট পেলেন তিনি। ৭৪ রানে ৩ উইকেট নেন রানা। ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন এনগারাভা।

৮২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৪ রানে আউট হন সাদমান ইসলাম।

দলীয় ১৩ রানে সাদমান ফেরার পর ৫৬ বলে ৪৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও মোমিনুল হক। জয় ২৮ ও মোমিনুল ১৫ রানে অপরাজিত আছেন। ৬ ও ১৮ রানে জীবন পান জয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

বাংলাদেশ : ১৯১/১০, ৬১ ওভার (মোমিনুল ৫৬, শান্ত ৪০, মাসাকাদজা ৩/২১)।

জিম্বাবুয়ে : ২৭৩/১০, ৮০.২ ওভার (উইলিয়ামস ৫৯, বেনেট ৫৭, মিরাজ ৫/৫২)।

বাংলাদেশ : ৫৭/১, ১৩ ওভার (জয় ২৮*, মোমিনুল ১৫*, মুজারাবানি ১/২১)।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

মিরাজের দারুণ বোলিংয়ের পরও দ্বিতীয় দিন শেষে পিছিয়ে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ২৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে দিন শেষে ১ উইকেটে ৫৭ রান করেছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসের বাংলাদেশের ১৯১ রানের জবাবে ২৭৩ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ ৫২ রানে ৫ উইকেট নেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার নাহিদ রানা। বেন কারানকে ১৮ রানে শিকার করেন রানা। হাফ-সেঞ্চুরি তুলে আউট হন ব্রায়ান বেনেট। রানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৫৭ রান করা বেনেট।

তিন নম্বরে নামা নিক ওয়েলচকে ২ রানে বোল্ড করেন আরেক পেসার হাসান মাহমুদ। ৮৮ রানে ৩ উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও সিন উইলিয়ামস। জুটিতে ৪১ রান যোগ হবার পর রানার তৃতীয় শিকার হন আরভিন। ৮ রান করেন তিনি।

১২৯ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর ৪৮ রান যোগ করেন সিন উইলিয়ামস ও ওয়েসলি মাধভেরে। ২৪ রান করা মাধভেরেকে বোল্ড করে জুটি ভাঙ্গেন পেসার খালেদ আহমেদ।

টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে লিড এনে দেন উইলিয়ামস। ৬টি চার ২টি ছক্কায় ৫৯ রান করে মিরাজের প্রথম শিকার হন উইলিয়ামস।

দলীয় ১৯৩ রানে উইলিয়ামসের আউটের পর জিম্বাবুয়ের লিড বড় করেছেন নিয়াশা মায়াভো, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি। মায়াভো ৩৫ ও মুজারাবানিকে ১৭ রানে থামান মিরাজ।

শেষ ব্যাটার ভিক্টর নিয়ুচিকে শিকার করে জিম্বাবুয়েকে ২৭৩ রানে গুটিয়ে দেন মিরাজ। জিম্বাবুয়ের শেষ ৫ উইকেটই নেন মিরাজ। ২০.২ ওভার বল করে ৫২ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ৫১ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এই নিয়ে ১১তমবার ইনিংসে পাঁচ বা ততোধিক উইকেট নিলেন মিরাজ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর দেশের মাটিতে ৫ উইকেট পেলেন তিনি। ৭৪ রানে ৩ উইকেট নেন রানা। ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন এনগারাভা।

৮২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৪ রানে আউট হন সাদমান ইসলাম।

দলীয় ১৩ রানে সাদমান ফেরার পর ৫৬ বলে ৪৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও মোমিনুল হক। জয় ২৮ ও মোমিনুল ১৫ রানে অপরাজিত আছেন। ৬ ও ১৮ রানে জীবন পান জয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

বাংলাদেশ : ১৯১/১০, ৬১ ওভার (মোমিনুল ৫৬, শান্ত ৪০, মাসাকাদজা ৩/২১)।

জিম্বাবুয়ে : ২৭৩/১০, ৮০.২ ওভার (উইলিয়ামস ৫৯, বেনেট ৫৭, মিরাজ ৫/৫২)।

বাংলাদেশ : ৫৭/১, ১৩ ওভার (জয় ২৮*, মোমিনুল ১৫*, মুজারাবানি ১/২১)।