ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী ঘুষি মেরে অটোচালকের নাক ফাটিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ বিধবা ইয়াসমিনকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদল আইন সহায়তা ফাউন্ডেশনের বগারচর ইউনিয়ন শাখার কমিটি অনুমোদন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার

পরবর্তী যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব বাজেভাবে হেরে যাবে : ইলন মাস্ক

মার্কিন ধনকুবের ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ইলন মাস্ক দেশটির সেনাবাহিনীর অদক্ষতার সমালোচনা করে বলেছেন, পরবর্তী যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব বাজেভাবে হেরে যাবে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার এ খবর জানায়।

ট্রাম্পের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির (ডিওজিই) প্রধান পদে নিয়োগ প্রাপ্ত মাস্ক নিজের এক্স পেজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেটের সেনাবাহিনীকে ‘অদক্ষ ও অযোগ্য’ বলে উল্লখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমেরিকান অস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে পুনঃর্নিমাণ করা প্রয়োজন। বর্তমান কৌশল হল গতকালের যুদ্ধের জন্য উচ্চ মূল্যে অল্প সংখ্যক অস্ত্র তৈরি করা।

মাস্ক লিখেছেন, ‘যদি সামরিক বাহিনীকে তাৎক্ষণিক এবং নাটকীয় পরিবর্তন করা না হয় তাহলে আমেরিকা পরবর্তী যুদ্ধে খুব খারাপভাবে হেরে যাবে।’

এই ধনকুবের দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের অদক্ষতার তীব্র সমালোচক। তিনি যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, অতিরিক্ত আমলাতন্ত্র এবং পুরনো সামরিক কৌশল জাতীয় নিরাপত্তাকে দুর্বল করেছে।

ইলন মাস্ক এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট পয়েন্টে, ইউনাইটেড স্টেটস মিলিটারি একাডেমিতে যুদ্ধের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করার সময় পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে ড্রোন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই’র ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘ইউক্রেনের বর্তমান যুদ্ধটি এরইমধ্যে একটি ড্রোন যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক বাহিনীর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট নির্ধারণ করে। বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বার্ষিক বাজেটের পরিমাণ ৮ শ’ ৫০ বিলিয়ন ডলার। এই সামরিক বাজেটের একটা বড় অংশ ব্যয় হয় পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে পরিচালিত যুদ্ধ ও আগ্রাসন চালানোর কাজে। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালে তার পূর্ববর্তী শাসনামলে এক বক্তব্যে অভিযোগ করেছিলেন যে, আমেরিকা পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে সাত ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছে কিন্তু বিনিময়ে ‘কিছুই পায়নি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পরবর্তী যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব বাজেভাবে হেরে যাবে : ইলন মাস্ক

আপডেট সময় ০৮:৫৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মার্কিন ধনকুবের ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ইলন মাস্ক দেশটির সেনাবাহিনীর অদক্ষতার সমালোচনা করে বলেছেন, পরবর্তী যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব বাজেভাবে হেরে যাবে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার এ খবর জানায়।

ট্রাম্পের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির (ডিওজিই) প্রধান পদে নিয়োগ প্রাপ্ত মাস্ক নিজের এক্স পেজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেটের সেনাবাহিনীকে ‘অদক্ষ ও অযোগ্য’ বলে উল্লখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমেরিকান অস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে পুনঃর্নিমাণ করা প্রয়োজন। বর্তমান কৌশল হল গতকালের যুদ্ধের জন্য উচ্চ মূল্যে অল্প সংখ্যক অস্ত্র তৈরি করা।

মাস্ক লিখেছেন, ‘যদি সামরিক বাহিনীকে তাৎক্ষণিক এবং নাটকীয় পরিবর্তন করা না হয় তাহলে আমেরিকা পরবর্তী যুদ্ধে খুব খারাপভাবে হেরে যাবে।’

এই ধনকুবের দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের অদক্ষতার তীব্র সমালোচক। তিনি যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, অতিরিক্ত আমলাতন্ত্র এবং পুরনো সামরিক কৌশল জাতীয় নিরাপত্তাকে দুর্বল করেছে।

ইলন মাস্ক এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট পয়েন্টে, ইউনাইটেড স্টেটস মিলিটারি একাডেমিতে যুদ্ধের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করার সময় পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে ড্রোন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই’র ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘ইউক্রেনের বর্তমান যুদ্ধটি এরইমধ্যে একটি ড্রোন যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক বাহিনীর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট নির্ধারণ করে। বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বার্ষিক বাজেটের পরিমাণ ৮ শ’ ৫০ বিলিয়ন ডলার। এই সামরিক বাজেটের একটা বড় অংশ ব্যয় হয় পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে পরিচালিত যুদ্ধ ও আগ্রাসন চালানোর কাজে। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালে তার পূর্ববর্তী শাসনামলে এক বক্তব্যে অভিযোগ করেছিলেন যে, আমেরিকা পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে সাত ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছে কিন্তু বিনিময়ে ‘কিছুই পায়নি।’