ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি, গ্রেপ্তার ৫ মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নির্ধারিত মূল্যেই মিলছে সার, স্বস্তিতে মেলান্দহের কৃষকেরা শেরপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ইত্তেফাকুল উলামা’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফ্যাসিস্টরা থাকলে বাংলাদেশ সিকিম হয়ে যেত : বিমান পরিবহন মন্ত্রী মিল্লাত

বন্যায় তলিয়েছে সরিষাবাড়ীর ১৫০৫ হেক্টর ফসলি জমি

সরিষাবাড়ীতে বন্যায় প্লাবিত একটি এলাকা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ীতে বন্যায় প্লাবিত একটি এলাকা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১১০টি গ্রামের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে ১ হাজার ৬০৩টি পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে পাট, আউশ ধান, বোরো ধান, ভুট্টা, তীল, সবজি খেত, বীজতলা ও গোচারণ ভূমিসহ ১৫০৫ হেক্টর ফসলি জমি। ৩০ জুন দুপুর পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টের বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

জানা গেছে, বন্যার পানিতে উপজেলার পিংনা, আওনা, গোগলদিঘা, সাতপোয়া, ভাটারা, কামরাবাদ, ডোয়াইল ও পৌরসভার কিছু অংশসহ বাড়ি ঘরে পানি ঢুকে ১৬০৩টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বীজতলা ফসলি জমি ১৫০৫ হেক্টর যাতে বোরো ৩০,আউশ ৭০, পাট ১০৩৫০, শাক সবজি ৪০, তীল ১০ ও ভূটা ৫ হেক্টর পানিতে নিমোজিত হয়ে গেছে। গোচারণ ভূমির ক্ষতি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকার মতো। এসব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি সহায়তা এসেছে ৫ টন জি আর চাউল ও নগদ ৩৯ হাজার টাকা।

এদিকে বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পানিবন্দি পরিবারগুলো শিশু, বৃদ্ধ ও গবাদি পশুপাখি নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। তাদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি ও খাবারের সংকট দেখা দিচ্ছে। বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার বাঁধে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বন্যায় উপজেলায় ১৫০৫ হেক্টর বীজতলা ফসলি জমি নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যা পানি এভাবে বৃদ্ধি পেলে আরো বেশি ক্ষতি হতে পারে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমাউন কবীর এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা খোঁজ রাখছি। সরকারি ভাবে ৫ মে.টন চাল ও ৩৯ হাজার টাকা আমাদের হাতে রয়েছে। অবস্থা বিবেচনায় কওে চাহিদা পাঠানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিহাব উদ্দিন আহমদ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই এক দিনের মধ্যে যে সব জায়গাতে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সেখানে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন

বন্যায় তলিয়েছে সরিষাবাড়ীর ১৫০৫ হেক্টর ফসলি জমি

আপডেট সময় ১১:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০
সরিষাবাড়ীতে বন্যায় প্লাবিত একটি এলাকা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১১০টি গ্রামের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে ১ হাজার ৬০৩টি পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে পাট, আউশ ধান, বোরো ধান, ভুট্টা, তীল, সবজি খেত, বীজতলা ও গোচারণ ভূমিসহ ১৫০৫ হেক্টর ফসলি জমি। ৩০ জুন দুপুর পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টের বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

জানা গেছে, বন্যার পানিতে উপজেলার পিংনা, আওনা, গোগলদিঘা, সাতপোয়া, ভাটারা, কামরাবাদ, ডোয়াইল ও পৌরসভার কিছু অংশসহ বাড়ি ঘরে পানি ঢুকে ১৬০৩টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বীজতলা ফসলি জমি ১৫০৫ হেক্টর যাতে বোরো ৩০,আউশ ৭০, পাট ১০৩৫০, শাক সবজি ৪০, তীল ১০ ও ভূটা ৫ হেক্টর পানিতে নিমোজিত হয়ে গেছে। গোচারণ ভূমির ক্ষতি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকার মতো। এসব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি সহায়তা এসেছে ৫ টন জি আর চাউল ও নগদ ৩৯ হাজার টাকা।

এদিকে বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পানিবন্দি পরিবারগুলো শিশু, বৃদ্ধ ও গবাদি পশুপাখি নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। তাদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি ও খাবারের সংকট দেখা দিচ্ছে। বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার বাঁধে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বন্যায় উপজেলায় ১৫০৫ হেক্টর বীজতলা ফসলি জমি নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যা পানি এভাবে বৃদ্ধি পেলে আরো বেশি ক্ষতি হতে পারে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমাউন কবীর এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা খোঁজ রাখছি। সরকারি ভাবে ৫ মে.টন চাল ও ৩৯ হাজার টাকা আমাদের হাতে রয়েছে। অবস্থা বিবেচনায় কওে চাহিদা পাঠানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিহাব উদ্দিন আহমদ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই এক দিনের মধ্যে যে সব জায়গাতে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সেখানে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।