ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে করোনায় মৃত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবার পেল নগদ অর্থ

করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত দুই পুলিশ সদস্যের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বাছির উদ্দিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত দুই পুলিশ সদস্যের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বাছির উদ্দিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবারের হাতে ডিএমপি কমিশনারের পক্ষে নগদ অর্থ দিয়েছে জামালপুর জেলা পুলিশ। ৩ জুন দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এই অর্থ দেওয়া হয়।

করোনায় মৃত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবারের হাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বাছির উদ্দিন এই নগদ অর্থ হস্তান্তর করেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ান, শাহ শিবলী সাদিক, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেমুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, ডিএমপিতে কর্মরত অবস্থায় এসআই সুলতানুল আরেফিন ও কনস্টেবল আশেক মাহমুদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে দুই লাখ টাকা করে মোট চার লাখ টাকা নগদ দেওয়া হয়। এর আগে তাদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে করোনায় মৃত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবার পেল নগদ অর্থ

আপডেট সময় ১১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০
করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত দুই পুলিশ সদস্যের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বাছির উদ্দিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবারের হাতে ডিএমপি কমিশনারের পক্ষে নগদ অর্থ দিয়েছে জামালপুর জেলা পুলিশ। ৩ জুন দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এই অর্থ দেওয়া হয়।

করোনায় মৃত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবারের হাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বাছির উদ্দিন এই নগদ অর্থ হস্তান্তর করেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ান, শাহ শিবলী সাদিক, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেমুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, ডিএমপিতে কর্মরত অবস্থায় এসআই সুলতানুল আরেফিন ও কনস্টেবল আশেক মাহমুদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে দুই লাখ টাকা করে মোট চার লাখ টাকা নগদ দেওয়া হয়। এর আগে তাদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।