ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েই মিমিকে হত্যা: কাউসার গ্রেপ্তার মাদারগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, তিন দোকানিকে জরিমানা সরিষাবাড়ীতে নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু  মাদারগঞ্জে ৮০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ধ্বংস ঘোষণার মধ্যদিয়ে সামাজিক ব্যধিমুক্তির আন্দোলন আরো জোরদার হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন সরিষাবাড়ীতে রাসেল হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : মিল্লাত নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইগাতীতে সরকারি জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা তৈরির অভিযোগ

ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়ায় সরকারি জমি (খাস) দখল করে ৬ জানুয়ারি গভীর রাতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে ও টিনের ছাউনি টিন শেড ঘর. রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়ায় সরকারি জমি (খাস) দখল করে ৬ জানুয়ারি গভীর রাতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে ও টিনের ছাউনি টিন শেড ঘর. রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সরকারি খাস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া এলাকার মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ১০ শতাংশ জমি দখল করে। এ ছাড়া সেখানে সিমেন্টের খুঁটি ব্যবহার করে টিন শেড ঘর, রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি গভীররাতে ওইসব কিছু নির্মাণ করা হয়। মুখলেসুর ওই গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর ছেলে।

৮ জানুয়ারি সকালে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় আব্দুর রহমান, আশরাফ আলী, হাসমত, করিম শেখ ও সোহেল অভিযোগ করে বলেন, বাকাকুঁড়া-গুরুচরণ দুধনই সড়কের সেতুর পাশে ওই ১০ শতাংশ খাস জমি জোর পূর্বক দখল করে প্রায় ৮ হাত চওড়া ও ২০ হাত লম্বা জায়গা জুড়ে সিমেন্টের খুঁটি গেড়ে টিনের ছাউনি দিয়ে একটি ঘর, রান্নাঘর ও শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একই সাথে বালু দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে জমিটি।

জায়গাটি এক নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত উল্লেখ করে কাংশা ও ধানশাইল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুজন কুমার সোম বলেন, ৬ জানুয়ারি বিকেলে ওই ঘর নির্মাণের সময় বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাতের আধারে মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ওই জমিতে টিন শেড ঘর নির্মাণ করেছেন।

অন্যদিকে জমিটি নাজমা বেগম নামে এক মহিলার কাছ থেকে কিনেছেন বলে দাবি করেন স্থাপনা নির্মাণকারী মুখলেসুর রহমান।

জায়গাটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম রাশেদুল হাসান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইগাতীতে সরকারি জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা তৈরির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৯
ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়ায় সরকারি জমি (খাস) দখল করে ৬ জানুয়ারি গভীর রাতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে ও টিনের ছাউনি টিন শেড ঘর. রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সরকারি খাস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া এলাকার মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ১০ শতাংশ জমি দখল করে। এ ছাড়া সেখানে সিমেন্টের খুঁটি ব্যবহার করে টিন শেড ঘর, রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি গভীররাতে ওইসব কিছু নির্মাণ করা হয়। মুখলেসুর ওই গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর ছেলে।

৮ জানুয়ারি সকালে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় আব্দুর রহমান, আশরাফ আলী, হাসমত, করিম শেখ ও সোহেল অভিযোগ করে বলেন, বাকাকুঁড়া-গুরুচরণ দুধনই সড়কের সেতুর পাশে ওই ১০ শতাংশ খাস জমি জোর পূর্বক দখল করে প্রায় ৮ হাত চওড়া ও ২০ হাত লম্বা জায়গা জুড়ে সিমেন্টের খুঁটি গেড়ে টিনের ছাউনি দিয়ে একটি ঘর, রান্নাঘর ও শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একই সাথে বালু দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে জমিটি।

জায়গাটি এক নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত উল্লেখ করে কাংশা ও ধানশাইল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুজন কুমার সোম বলেন, ৬ জানুয়ারি বিকেলে ওই ঘর নির্মাণের সময় বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাতের আধারে মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ওই জমিতে টিন শেড ঘর নির্মাণ করেছেন।

অন্যদিকে জমিটি নাজমা বেগম নামে এক মহিলার কাছ থেকে কিনেছেন বলে দাবি করেন স্থাপনা নির্মাণকারী মুখলেসুর রহমান।

জায়গাটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম রাশেদুল হাসান।