ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী ঘুষি মেরে অটোচালকের নাক ফাটিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ বিধবা ইয়াসমিনকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদল আইন সহায়তা ফাউন্ডেশনের বগারচর ইউনিয়ন শাখার কমিটি অনুমোদন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার

ঝিনাইগাতীতে সরকারি জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা তৈরির অভিযোগ

ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়ায় সরকারি জমি (খাস) দখল করে ৬ জানুয়ারি গভীর রাতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে ও টিনের ছাউনি টিন শেড ঘর. রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়ায় সরকারি জমি (খাস) দখল করে ৬ জানুয়ারি গভীর রাতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে ও টিনের ছাউনি টিন শেড ঘর. রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সরকারি খাস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া এলাকার মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ১০ শতাংশ জমি দখল করে। এ ছাড়া সেখানে সিমেন্টের খুঁটি ব্যবহার করে টিন শেড ঘর, রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি গভীররাতে ওইসব কিছু নির্মাণ করা হয়। মুখলেসুর ওই গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর ছেলে।

৮ জানুয়ারি সকালে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় আব্দুর রহমান, আশরাফ আলী, হাসমত, করিম শেখ ও সোহেল অভিযোগ করে বলেন, বাকাকুঁড়া-গুরুচরণ দুধনই সড়কের সেতুর পাশে ওই ১০ শতাংশ খাস জমি জোর পূর্বক দখল করে প্রায় ৮ হাত চওড়া ও ২০ হাত লম্বা জায়গা জুড়ে সিমেন্টের খুঁটি গেড়ে টিনের ছাউনি দিয়ে একটি ঘর, রান্নাঘর ও শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একই সাথে বালু দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে জমিটি।

জায়গাটি এক নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত উল্লেখ করে কাংশা ও ধানশাইল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুজন কুমার সোম বলেন, ৬ জানুয়ারি বিকেলে ওই ঘর নির্মাণের সময় বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাতের আধারে মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ওই জমিতে টিন শেড ঘর নির্মাণ করেছেন।

অন্যদিকে জমিটি নাজমা বেগম নামে এক মহিলার কাছ থেকে কিনেছেন বলে দাবি করেন স্থাপনা নির্মাণকারী মুখলেসুর রহমান।

জায়গাটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম রাশেদুল হাসান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঝিনাইগাতীতে সরকারি জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা তৈরির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৯
ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়ায় সরকারি জমি (খাস) দখল করে ৬ জানুয়ারি গভীর রাতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে ও টিনের ছাউনি টিন শেড ঘর. রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সরকারি খাস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া এলাকার মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ১০ শতাংশ জমি দখল করে। এ ছাড়া সেখানে সিমেন্টের খুঁটি ব্যবহার করে টিন শেড ঘর, রান্নাঘর এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি গভীররাতে ওইসব কিছু নির্মাণ করা হয়। মুখলেসুর ওই গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর ছেলে।

৮ জানুয়ারি সকালে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় আব্দুর রহমান, আশরাফ আলী, হাসমত, করিম শেখ ও সোহেল অভিযোগ করে বলেন, বাকাকুঁড়া-গুরুচরণ দুধনই সড়কের সেতুর পাশে ওই ১০ শতাংশ খাস জমি জোর পূর্বক দখল করে প্রায় ৮ হাত চওড়া ও ২০ হাত লম্বা জায়গা জুড়ে সিমেন্টের খুঁটি গেড়ে টিনের ছাউনি দিয়ে একটি ঘর, রান্নাঘর ও শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একই সাথে বালু দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে জমিটি।

জায়গাটি এক নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত উল্লেখ করে কাংশা ও ধানশাইল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুজন কুমার সোম বলেন, ৬ জানুয়ারি বিকেলে ওই ঘর নির্মাণের সময় বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাতের আধারে মুখলেসুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ওই জমিতে টিন শেড ঘর নির্মাণ করেছেন।

অন্যদিকে জমিটি নাজমা বেগম নামে এক মহিলার কাছ থেকে কিনেছেন বলে দাবি করেন স্থাপনা নির্মাণকারী মুখলেসুর রহমান।

জায়গাটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম রাশেদুল হাসান।