ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে অনলাইন জুয়ার ‘সম্রাট’ সবুজ গ্রেপ্তার দুর্গাপূজা : মাদারগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নকলায় পূজা মণ্ডপে জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নকলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর হামলা : বিচার দাবি

সরিষাবাড়ীতে বিএনপির প্রায় ২০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পথসভায় হামলার অভিযোগ এনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপির প্রায় ২০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যুবলীগ নেতা মুকুল হোসেন বাদি হয়ে ২৫ ডিসেম্বর রাতে সরিষাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেছে বিএনপি।

মামলায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মামুন ফকির এবং সরিষাবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এ কে এম ফয়েজুল কবীর তালুকদার শাহীনসহ নামোল্লেখ করে ২২ জন এবং অজ্ঞাত আরো ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন বেলজিয়াম বিএনপির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সেলিম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মিলন, সাবেক সভাপতি প্রভাষক শহিদুল্লাহ শহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক নিপ্পন মিয়া প্রমুখ।

জানা গেছে, ২৪ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী পৌরসভার আরামনগর বাজারে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চিকিৎসক মুরাদ হাসানের নির্বাচনী পথসভাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগসহ অন্তত ৩০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি আওয়ামী লীগের পূর্বপরিকল্পিত দাবি করে বিএনপি নেতাকর্মীরা মানববন্ধন করে। তবে এটি বিএনপির সাজানো নাটক বলে অভিযোগ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা। পরে নির্বাচনী পথসভায় হামলার অভিযোগ এনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা করেন যুবলীগ নেতা মুকুল হোসেন।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পথসভায় হামলার অভিযোগে মামলাটি দায়ের হয়েছে। মামলার কোনো আসামি এখনো আটক হয়নি। তাদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম অভিযোগ করে বলেন, জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত দেখে আইনকে ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। তবুও আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিএনপিকে ভয় পেয়ে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও বাজারে হামলা করে, অপরদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি বিএনপিকে মাঠছাড়া করতে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে তিনি দাবি করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

সরিষাবাড়ীতে বিএনপির প্রায় ২০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০৫:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পথসভায় হামলার অভিযোগ এনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপির প্রায় ২০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যুবলীগ নেতা মুকুল হোসেন বাদি হয়ে ২৫ ডিসেম্বর রাতে সরিষাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেছে বিএনপি।

মামলায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মামুন ফকির এবং সরিষাবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এ কে এম ফয়েজুল কবীর তালুকদার শাহীনসহ নামোল্লেখ করে ২২ জন এবং অজ্ঞাত আরো ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন বেলজিয়াম বিএনপির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সেলিম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মিলন, সাবেক সভাপতি প্রভাষক শহিদুল্লাহ শহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক নিপ্পন মিয়া প্রমুখ।

জানা গেছে, ২৪ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী পৌরসভার আরামনগর বাজারে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চিকিৎসক মুরাদ হাসানের নির্বাচনী পথসভাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগসহ অন্তত ৩০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি আওয়ামী লীগের পূর্বপরিকল্পিত দাবি করে বিএনপি নেতাকর্মীরা মানববন্ধন করে। তবে এটি বিএনপির সাজানো নাটক বলে অভিযোগ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা। পরে নির্বাচনী পথসভায় হামলার অভিযোগ এনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা করেন যুবলীগ নেতা মুকুল হোসেন।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পথসভায় হামলার অভিযোগে মামলাটি দায়ের হয়েছে। মামলার কোনো আসামি এখনো আটক হয়নি। তাদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম অভিযোগ করে বলেন, জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত দেখে আইনকে ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। তবুও আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিএনপিকে ভয় পেয়ে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও বাজারে হামলা করে, অপরদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি বিএনপিকে মাঠছাড়া করতে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে তিনি দাবি করেন।