ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যমুনা নদীতীরের ভাঙন রোধের দাবিতে সাপধরীতে মানববন্ধন

ইসলামপুর : যমুনা নদীতীরের ভাঙন রোধের দাবিতে কোদাল ধোঁয়া ঘাটে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর মানববন্ধন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর বাজার, কোদাল ধোঁয়া থেকে রাজারপুর রায়েরপাড়া পর্যন্ত যমুনা নদীরতীরের দক্ষিণ এলাকায় ব্যাপক ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮ জুলাই, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী কোদাল ধোঁয়া ঘাটে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দা বকুল খান বলেন, সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর ভায়া কোদালধোঁয়া হয়ে আইড়মারী পর্যন্ত দুই কিলোমিটার এলাকায় যমুনা ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। তীব্র ভাঙনের তোড়ে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন রোধে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর, কোদালধোঁয়া, দক্ষিণ কোদাল ধোঁয়া, আইড়মারী, জিগাতলা, ভাংবাড়ীসহ পাঁচটি গ্রামের ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দুটি ঈদগাহ, ব্রিজ-কালভার্টসহ ২০ হাজার মানুষের চলাচল, বসতবাড়ি, হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া আশঙ্কা রয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ভুক্তিভোগী মো. মাসুদুর রহমান, শহিদ মন্ডল ও হামিদুল ইসলাম প্রমুখ। স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন আমাদের সন্তানদের বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই : প্রধানমন্ত্রী

যমুনা নদীতীরের ভাঙন রোধের দাবিতে সাপধরীতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৬:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর বাজার, কোদাল ধোঁয়া থেকে রাজারপুর রায়েরপাড়া পর্যন্ত যমুনা নদীরতীরের দক্ষিণ এলাকায় ব্যাপক ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮ জুলাই, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী কোদাল ধোঁয়া ঘাটে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দা বকুল খান বলেন, সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর ভায়া কোদালধোঁয়া হয়ে আইড়মারী পর্যন্ত দুই কিলোমিটার এলাকায় যমুনা ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। তীব্র ভাঙনের তোড়ে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন রোধে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর, কোদালধোঁয়া, দক্ষিণ কোদাল ধোঁয়া, আইড়মারী, জিগাতলা, ভাংবাড়ীসহ পাঁচটি গ্রামের ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দুটি ঈদগাহ, ব্রিজ-কালভার্টসহ ২০ হাজার মানুষের চলাচল, বসতবাড়ি, হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া আশঙ্কা রয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ভুক্তিভোগী মো. মাসুদুর রহমান, শহিদ মন্ডল ও হামিদুল ইসলাম প্রমুখ। স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন।