ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন ৪ বইয়ের অনুমোদন বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ডিবির অভিযান : বকশীগঞ্জে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ৫ ইসলামপুর প্রেসক্লাবের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ১৪ নভেম্বর দারিদ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের পথে একজন শারমিনের গল্প শেরপুরে দেশি কড়ি কাইট্টা উদ্ধার, অবমুক্ত জামালপুরে দোকান মালিক সমিতির পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের ‘বিশৃঙ্খলা ও নিষ্ঠুরতার’ সমালোচনা করলেন ওবামা

হাটচন্দ্রায় মাকে হত্যা, ছেলে গ্রেপ্তার

জামালপুর : গ্রেপ্তার মনজুরুল ইসলাম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছেলে মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার চর নাওভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৭ এপ্রিল দুপুরে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সল মো. আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১৫ এপ্রিল সকালে জামালপুর পৌরশহরের হাটচন্দ্রা এলাকায় নিজ বাড়িতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে (৬৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম। এ সময় গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। ঘটনার পরের দিন নিহতের ছোট ছেলে জীবন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারে জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায় পুলিশ। এক পর্যায়ে ১৭ এপ্রিল ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার নাওভাঙ্গা চর থেকে আসামি মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, মনজিলা বেগম জিরা নিজের চোখের চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাতে কম্পপুর এলাকার গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলের কাছে ১৬ হাজার টাকায় নিজ বাড়ির তিনটি গাছ বিক্রি করেন এবং অগ্রীম ৯ হাজার টাকা বুঝে নেন। গত ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে ফরিদ মন্ডল (৪৫) ও তার লোকজন গাছ কাটতে আসলে বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম (৪০) বাধা দেয়। মনজুরুল তার মাকে বলে আরও বেশি দামে গাছ বিক্রি করা যাবে কিন্তু এনিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ মন্ডলকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে মনজুরুল। এ সময় ছেলেকে বাধা দিলে মাকেও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। বাড়িতে লোকজন আসতে দেখে মনজুরুল পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা আহত গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনার পরের দিন ১৬ এপ্রিল নিহতের ছোট ছেলে জীবন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

হাটচন্দ্রায় মাকে হত্যা, ছেলে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৯:০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

জামালপুরে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছেলে মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার চর নাওভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৭ এপ্রিল দুপুরে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সল মো. আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১৫ এপ্রিল সকালে জামালপুর পৌরশহরের হাটচন্দ্রা এলাকায় নিজ বাড়িতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে (৬৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম। এ সময় গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। ঘটনার পরের দিন নিহতের ছোট ছেলে জীবন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারে জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায় পুলিশ। এক পর্যায়ে ১৭ এপ্রিল ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার নাওভাঙ্গা চর থেকে আসামি মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, মনজিলা বেগম জিরা নিজের চোখের চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাতে কম্পপুর এলাকার গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলের কাছে ১৬ হাজার টাকায় নিজ বাড়ির তিনটি গাছ বিক্রি করেন এবং অগ্রীম ৯ হাজার টাকা বুঝে নেন। গত ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে ফরিদ মন্ডল (৪৫) ও তার লোকজন গাছ কাটতে আসলে বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম (৪০) বাধা দেয়। মনজুরুল তার মাকে বলে আরও বেশি দামে গাছ বিক্রি করা যাবে কিন্তু এনিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ মন্ডলকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে মনজুরুল। এ সময় ছেলেকে বাধা দিলে মাকেও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। বাড়িতে লোকজন আসতে দেখে মনজুরুল পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা আহত গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনার পরের দিন ১৬ এপ্রিল নিহতের ছোট ছেলে জীবন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।