ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট জব্দ দানেও আনন্দ আছে : জামালপুরে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র দাতাদের অভিমত নিষিদ্ধ ইয়াবা বড়ি সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড মেয়েদের ছাতিয়ানতলা, ছেলেদের মাইনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল পিরোজপুরের সড়কগুলো দ্রুত যান চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন : জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রারের ৭ বছরের কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রফিজ উদ্দিন মোল্লাকে (৮০) অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২৯ জুলাই সোমবার দুপুরে জামালপুর স্পেশাল জজ আদালত বিচারক মো. আবু তাহের এ আদেশ।

তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে ১৯৮৭ সালে শেরপুরের শ্রীবরদী থানায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিজ উদ্দিন মোল্লা রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জামালপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রফিজ উদ্দিন মোল্লা, অফিস সহকারী নিত্যা নন্দ দাস ও জামালপুর জেলা রেজিস্ট্রার এ এস ওয়াহেদ উদ্দিন চৌধুরীসহ তিনজনের নামে শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল জমি রেজিস্ট্রি ফি সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। মামলায় উল্লেখ করেন ৩৩ হাজার ১৬৬ টাকা, ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫৬ টাকা আত্মসাৎ করার। মামলা তিনটি কয়েকটি আদালতে শুনানি হয়। আসামিদের মধ্যে জামালপুরের জেলা রেজিস্ট্রার এ এস ওয়াহেদ উদ্দিন চৌধুরী ও শ্রীবরদী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারী নিত্যা নন্দ দাস মারা গেছেন।

জামালপুর ও শেরপুর আদালতের দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ জীবন এ প্রতিবেদককে বলেন, দীর্ঘ সময় শুনানি হয়েছে। জমি রেজিস্ট্রি ফি সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন রফিজ উদ্দিন মোল্লা। তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন ১৬ জন। আসামি রফিজ উদ্দিন মোল্লাকে সাত বছরের জেল এবং তার অর্থ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ

অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রারের ৭ বছরের কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৯:৩২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রফিজ উদ্দিন মোল্লাকে (৮০) অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২৯ জুলাই সোমবার দুপুরে জামালপুর স্পেশাল জজ আদালত বিচারক মো. আবু তাহের এ আদেশ।

তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে ১৯৮৭ সালে শেরপুরের শ্রীবরদী থানায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিজ উদ্দিন মোল্লা রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জামালপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রফিজ উদ্দিন মোল্লা, অফিস সহকারী নিত্যা নন্দ দাস ও জামালপুর জেলা রেজিস্ট্রার এ এস ওয়াহেদ উদ্দিন চৌধুরীসহ তিনজনের নামে শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল জমি রেজিস্ট্রি ফি সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। মামলায় উল্লেখ করেন ৩৩ হাজার ১৬৬ টাকা, ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫৬ টাকা আত্মসাৎ করার। মামলা তিনটি কয়েকটি আদালতে শুনানি হয়। আসামিদের মধ্যে জামালপুরের জেলা রেজিস্ট্রার এ এস ওয়াহেদ উদ্দিন চৌধুরী ও শ্রীবরদী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারী নিত্যা নন্দ দাস মারা গেছেন।

জামালপুর ও শেরপুর আদালতের দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ জীবন এ প্রতিবেদককে বলেন, দীর্ঘ সময় শুনানি হয়েছে। জমি রেজিস্ট্রি ফি সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন রফিজ উদ্দিন মোল্লা। তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন ১৬ জন। আসামি রফিজ উদ্দিন মোল্লাকে সাত বছরের জেল এবং তার অর্থ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।