নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রফিজ উদ্দিন মোল্লাকে (৮০) অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২৯ জুলাই সোমবার দুপুরে জামালপুর স্পেশাল জজ আদালত বিচারক মো. আবু তাহের এ আদেশ।
তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে ১৯৮৭ সালে শেরপুরের শ্রীবরদী থানায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিজ উদ্দিন মোল্লা রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জামালপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রফিজ উদ্দিন মোল্লা, অফিস সহকারী নিত্যা নন্দ দাস ও জামালপুর জেলা রেজিস্ট্রার এ এস ওয়াহেদ উদ্দিন চৌধুরীসহ তিনজনের নামে শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল জমি রেজিস্ট্রি ফি সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। মামলায় উল্লেখ করেন ৩৩ হাজার ১৬৬ টাকা, ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫৬ টাকা আত্মসাৎ করার। মামলা তিনটি কয়েকটি আদালতে শুনানি হয়। আসামিদের মধ্যে জামালপুরের জেলা রেজিস্ট্রার এ এস ওয়াহেদ উদ্দিন চৌধুরী ও শ্রীবরদী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারী নিত্যা নন্দ দাস মারা গেছেন।
জামালপুর ও শেরপুর আদালতের দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ জীবন এ প্রতিবেদককে বলেন, দীর্ঘ সময় শুনানি হয়েছে। জমি রেজিস্ট্রি ফি সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন রফিজ উদ্দিন মোল্লা। তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন ১৬ জন। আসামি রফিজ উদ্দিন মোল্লাকে সাত বছরের জেল এবং তার অর্থ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 


















