ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ দেশের জন্য গর্বের বিষয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী শসা চাষে বদলাচ্ছে মাদারগঞ্জের কৃষকের ভাগ্য সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেলেন জনশক্তির সহকারী পরিচালক ইকরামুন নাহার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : বকশীগঞ্জে ড্রেজার, ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ ডিবির অভিযানে ডলার প্রতারক চক্রের সদস্য আটক বকশীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫০ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ মাদারগঞ্জে জীবন্ত পাখি খাদক সাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া লটারির আওতায় আসবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি -ফাইল ছবি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামীতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া লটারির আওতায় আসবে।

তিনি ১৯ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল লটারি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ।

তিনি বলেন, দেশের সরকারি-বেসরকারি সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ ও তদবির বন্ধে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সরকারি মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাইয়ে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির ক্ষেত্রে আগে আমরা যা দেখতাম, সেটা ভর্তি যুদ্ধ। ভর্তি নিয়ে বাবা-মায়ের যুদ্ধ। ছোট ছোট শিক্ষার্থী যারা ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবে তাদের জোর করে মুখস্ত করাচ্ছেন, বাবা-মা নিজেরাও মুখস্ত করছেন। এই রকম একটা ভর্তি যুদ্ধের অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে যে সব নেতিবাচক চর্চা রয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আমরা ইতিবাচক দিকে আসতে চাইছি। সব চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী সব এক স্কুলে। তার চেয়ে নানা ধরনের মেধার শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকলে আমরা মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারব।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ তো হয়ই, আমাদের ওপরও যুদ্ধ চলে আসে। সব কিছু পড়ে বেশি নম্বর পেয়ে স্কুলে ভর্তি হতে হয়, তাহলে স্কুলের কৃতিত্বটা কী? কম নম্বর পাওয়া একজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে সে বেশি নম্বর পেলে এটাই শিক্ষকের কৃতিত্ব।

এছাড়া বেশি নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে বেশি নম্বর পেলে তাতে শিক্ষকের আত্মতৃপ্তির জায়গা থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির বিষয়ে শিশুদের ওপর প্রচন্ড মানসিক চাপ থাকে। একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এর মধ্যে একটি অনৈতিক বিষয়ও জড়িয়ে যায়। অনেক রকম তদবিরের চাপ থাকে। কী করে এ থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এসে গেলো করোনা। করোনা না আসলেও আমরা লটারির কথা ভেবেছিলাম। গত বছর লটারি করার পর অধিকাংশ জায়গা থেকে ফোন এসেছে। দু’চারটি জায়গা ছাড়া সবাই এতে খুশি। এতে সমতা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এটা যেহেতু চালু হয়েছে প্রতিবছরই এটা থাকবে। গত বছর করা হয়েছিলে মহানগরে। এবার জেলা পর্যায়ে লটারি করা হয়েছে। উপজেলাগুলো আমরা এবার লটারির আওতায় আনিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া লটারির আওতায় আসবে : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামীতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া লটারির আওতায় আসবে।

তিনি ১৯ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল লটারি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ।

তিনি বলেন, দেশের সরকারি-বেসরকারি সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ ও তদবির বন্ধে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সরকারি মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাইয়ে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির ক্ষেত্রে আগে আমরা যা দেখতাম, সেটা ভর্তি যুদ্ধ। ভর্তি নিয়ে বাবা-মায়ের যুদ্ধ। ছোট ছোট শিক্ষার্থী যারা ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবে তাদের জোর করে মুখস্ত করাচ্ছেন, বাবা-মা নিজেরাও মুখস্ত করছেন। এই রকম একটা ভর্তি যুদ্ধের অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে যে সব নেতিবাচক চর্চা রয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আমরা ইতিবাচক দিকে আসতে চাইছি। সব চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী সব এক স্কুলে। তার চেয়ে নানা ধরনের মেধার শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকলে আমরা মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারব।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ তো হয়ই, আমাদের ওপরও যুদ্ধ চলে আসে। সব কিছু পড়ে বেশি নম্বর পেয়ে স্কুলে ভর্তি হতে হয়, তাহলে স্কুলের কৃতিত্বটা কী? কম নম্বর পাওয়া একজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে সে বেশি নম্বর পেলে এটাই শিক্ষকের কৃতিত্ব।

এছাড়া বেশি নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে বেশি নম্বর পেলে তাতে শিক্ষকের আত্মতৃপ্তির জায়গা থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির বিষয়ে শিশুদের ওপর প্রচন্ড মানসিক চাপ থাকে। একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এর মধ্যে একটি অনৈতিক বিষয়ও জড়িয়ে যায়। অনেক রকম তদবিরের চাপ থাকে। কী করে এ থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এসে গেলো করোনা। করোনা না আসলেও আমরা লটারির কথা ভেবেছিলাম। গত বছর লটারি করার পর অধিকাংশ জায়গা থেকে ফোন এসেছে। দু’চারটি জায়গা ছাড়া সবাই এতে খুশি। এতে সমতা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এটা যেহেতু চালু হয়েছে প্রতিবছরই এটা থাকবে। গত বছর করা হয়েছিলে মহানগরে। এবার জেলা পর্যায়ে লটারি করা হয়েছে। উপজেলাগুলো আমরা এবার লটারির আওতায় আনিনি।