ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ দেশের জন্য গর্বের বিষয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী শসা চাষে বদলাচ্ছে মাদারগঞ্জের কৃষকের ভাগ্য সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেলেন জনশক্তির সহকারী পরিচালক ইকরামুন নাহার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : বকশীগঞ্জে ড্রেজার, ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ ডিবির অভিযানে ডলার প্রতারক চক্রের সদস্য আটক বকশীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫০ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ মাদারগঞ্জে জীবন্ত পাখি খাদক সাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১১:২৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০
ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।