ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ যুবদলনেতা সোহেল রানা খানের উদ্যােগে খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু পলাশতলায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির খাদ্য সহায়তা দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হলেন জেলায় শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

ঢাকায় শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজায় লাখো মানুষ

জামালপুর : লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজা অনুষ্ঠিত। ছবি: বাসস

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর, শনিবার দুপুর আড়াইটায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জানাজার আগে শরিফ ওসমান হাদীর জীবনবৃত্তান্ত পাঠ করেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। এরপর বক্তৃতা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। এরপর বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তৃতা দেন শরিফ ওসমান হাদীর বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। বড় ভাইয়ের বক্তৃতার সময় জানাজায় উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তিনি শরিফ ওসমান হাদীর জানাজায় ইমামতি করেন।

জানাজা শেষে শরিফ ওসমান হাদীর মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ,  জ্যেষ্ঠ যুগ্মমহাসচিব আইনজীবী রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। এতে যোগ দেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ জানাজায় অংশ নেন।

সকাল থেকেই জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হতে শুরু করেন মানুষ। সকাল ১১টা ২০ মিনিটে খুলে দেওয়া হয় সংসদ ভবনের প্রধান গেট। পরে সংসদ ভবনের চারপাশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আসাদগেট, ফার্মগেট ও খামারবাড়িসহ আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে।

এসময় তাদের ‘আমরা সবাই হাদী হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর নামাজে জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। সূত্র : বাসস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকায় শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজায় লাখো মানুষ

আপডেট সময় ০৯:১২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর, শনিবার দুপুর আড়াইটায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জানাজার আগে শরিফ ওসমান হাদীর জীবনবৃত্তান্ত পাঠ করেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। এরপর বক্তৃতা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। এরপর বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তৃতা দেন শরিফ ওসমান হাদীর বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। বড় ভাইয়ের বক্তৃতার সময় জানাজায় উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তিনি শরিফ ওসমান হাদীর জানাজায় ইমামতি করেন।

জানাজা শেষে শরিফ ওসমান হাদীর মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর জানাজায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ,  জ্যেষ্ঠ যুগ্মমহাসচিব আইনজীবী রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। এতে যোগ দেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ জানাজায় অংশ নেন।

সকাল থেকেই জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হতে শুরু করেন মানুষ। সকাল ১১টা ২০ মিনিটে খুলে দেওয়া হয় সংসদ ভবনের প্রধান গেট। পরে সংসদ ভবনের চারপাশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আসাদগেট, ফার্মগেট ও খামারবাড়িসহ আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে।

এসময় তাদের ‘আমরা সবাই হাদী হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর নামাজে জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। সূত্র : বাসস