জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বেবী আক্তার (৪৫) নামে একজন মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার বিকালে কুলিয়া ইউনিয়নের দাউদপুর এলাকায় একটি কলাবাগান থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বেবী আক্তার একই ইউনিয়নের কাঙ্গালকুর্শা গ্রামের মৃত সুজাউদ্দৌলা ধলার মেয়ে।
বেবী আক্তারের ভাই লিটন মিয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, ১৫ ডিম্বেবর, সোমবার রাত থেকে আমার বোনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে একটি কলাবাগানে লাশ পড়ে থাকার খবর পাই। সেখানে গিয়ে দেখতে পাই আমার বোনের পরনে কাপড় ছিল না। শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, আমার বোন মানসিক প্রতিবন্ধী। তার কোন শত্রু ছিল না। কিন্তু কিছুদিন আগে ডিগ্রিরচর গ্রামের নূরুল ইসলাম রাতের অন্ধকারে আমার বোনকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে অপহরণের চেষ্টা করে। এ সময় তিনি হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরে তাকে পুলিশের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান জানান, ওই নারীকে এর আগে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় একজন আসামী কারাগারে আছে। নিহতের গলায় কালচে দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণ করা যায় তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আসমাউল আসিফ : নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম 



















