ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মেলান্দহে জেসমিন প্রকল্পের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কিত প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন ও উন্নয়ন সংঘের আওতায় জেসমিন প্রকল্পের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কিত প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কাজাইকাটা এলাকায় এ প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কিশোরী পুষ্টি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ খাদ্য, প্রকল্প পরিচিতি ও কাউন্সিলিং কর্নারসহ তিনটি স্টল সাজানো হয়।

প্রচারণা সভায় বক্তব্য রাখেন জামালপুর নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, এম এ রশিদ হাসপাতালের পুষ্টিবিদ নুসরাত করিম আরিফা, ওয়ার্ল্ড ভিশন জেসমিন প্রকল্পের নিউট্রিশন স্পেশালিস্ট নাহিদা ইসলাম আখি, উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি পরিচালক মোর্শেদ ইকবাল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার জাহান, জেসমিন প্রকল্পের সাব-ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর বিজন কুমার দেব। প্রচারণা সভা সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের মনিটরিং কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।

বক্তারা বলেন, নারী ও পুরুষের সমতা আনয়ন ও নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারের পুষ্টি অবস্থার উন্নয়ন করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। মূলত খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার গ্রহণ করা পর্যন্ত এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তারা আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক ও মেলামাইন জাতীয় বাসনপত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড বিরোধী আলোচনা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। হাত ধোয়ার বিষয়ে সকল বয়সের সবাইকে সচেতন হতে হবে। এছাড়াও খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিকর উপায়ে খাদ্য রান্নার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

আলোচনা শেষে খাজা বাবা সত্য বাউল সংঘ নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কিত জামালপুর লোক সংগীত পরিবেশন করেন।

উল্লেখ্য, জেসমিন প্রজেক্ট ২০২৩ সাল থেকে জামালপুর জেলার সদর, মেলান্দহ, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ এই চারটি উপজেলায় কাজ করছে। এটি মূলত অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রামের (ANCP) মাধ্যমে বাস্তবায়িত এনএসভিসি প্রজেক্টের বর্ধিত অংশ। যা ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জামালপুর জেলায় কাজ করেছে।

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

মেলান্দহে জেসমিন প্রকল্পের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কিত প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৭:৩৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন ও উন্নয়ন সংঘের আওতায় জেসমিন প্রকল্পের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কিত প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কাজাইকাটা এলাকায় এ প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কিশোরী পুষ্টি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ খাদ্য, প্রকল্প পরিচিতি ও কাউন্সিলিং কর্নারসহ তিনটি স্টল সাজানো হয়।

প্রচারণা সভায় বক্তব্য রাখেন জামালপুর নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, এম এ রশিদ হাসপাতালের পুষ্টিবিদ নুসরাত করিম আরিফা, ওয়ার্ল্ড ভিশন জেসমিন প্রকল্পের নিউট্রিশন স্পেশালিস্ট নাহিদা ইসলাম আখি, উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি পরিচালক মোর্শেদ ইকবাল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার জাহান, জেসমিন প্রকল্পের সাব-ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর বিজন কুমার দেব। প্রচারণা সভা সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের মনিটরিং কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।

বক্তারা বলেন, নারী ও পুরুষের সমতা আনয়ন ও নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারের পুষ্টি অবস্থার উন্নয়ন করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। মূলত খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার গ্রহণ করা পর্যন্ত এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তারা আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক ও মেলামাইন জাতীয় বাসনপত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড বিরোধী আলোচনা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। হাত ধোয়ার বিষয়ে সকল বয়সের সবাইকে সচেতন হতে হবে। এছাড়াও খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিকর উপায়ে খাদ্য রান্নার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

আলোচনা শেষে খাজা বাবা সত্য বাউল সংঘ নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কিত জামালপুর লোক সংগীত পরিবেশন করেন।

উল্লেখ্য, জেসমিন প্রজেক্ট ২০২৩ সাল থেকে জামালপুর জেলার সদর, মেলান্দহ, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ এই চারটি উপজেলায় কাজ করছে। এটি মূলত অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রামের (ANCP) মাধ্যমে বাস্তবায়িত এনএসভিসি প্রজেক্টের বর্ধিত অংশ। যা ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জামালপুর জেলায় কাজ করেছে।