ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

জামালপুরে যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক দুইদিনের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের যৌন শোষণ, যৌন নিপীড়ন ও যৌন হয়রানি থেকে প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় নির্ধারণ ও লাগসই পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে উন্নয়ন সংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মীদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়।

৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা। এতে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের উপ-নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ মাহমুদ ইবনে হুদা, মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংস্থার পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল ও জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন। প্রশিক্ষণে সংস্থার ২০ জন জ্যেষ্ঠ নারী ও পুরুষ কর্মী অংশ নেন।

উপকারভোগীর প্রতি সহিংসতার কোন ছাড় নয় এ স্লোগান সামনে রেখে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ সূত্র জানায়, উন্নয়ন সংঘের সকল কর্মী, অংশীজন, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষানবিশ, সহযোগী সংগঠনের কর্মী, নিয়োগকৃত ভেন্ডরসহ সংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তির দ্বারা যৌন নির্যাতন সংঘটিত হলে সংস্থা কর্তৃক গৃহীত নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষ প্রমাণিত হলে সাথে সাথে অভিযুক্ত কর্মীকে চাকরিচ্যূত করা হবে। এছাড়া সংস্থার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ও প্রকল্পভিত্তিক একজন করে নির্ধারিত কর্মী নিযুক্ত করা, যৌন নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হলে নির্ধারিত ব্যক্তি বা ফোকাল পারসনের নেতৃত্বে ঘটনা তদন্ত করা, এরজন্য দুই বা তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা, অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা গোপন রাখা, মিথ্যা ঘটনা বা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া নীতিমালার উপর মাঠ পর্যায়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ, ওরিয়েন্টেশন প্রদান করা, সকল উপকারভোগীদের সচেতনামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কৌশল বিষয়ক বিশ্লেষণমুখী আলোচনা করা হয়।

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক দুইদিনের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

আপডেট সময় ০৭:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের যৌন শোষণ, যৌন নিপীড়ন ও যৌন হয়রানি থেকে প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় নির্ধারণ ও লাগসই পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে উন্নয়ন সংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মীদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়।

৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা। এতে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের উপ-নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ মাহমুদ ইবনে হুদা, মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংস্থার পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল ও জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন। প্রশিক্ষণে সংস্থার ২০ জন জ্যেষ্ঠ নারী ও পুরুষ কর্মী অংশ নেন।

উপকারভোগীর প্রতি সহিংসতার কোন ছাড় নয় এ স্লোগান সামনে রেখে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ সূত্র জানায়, উন্নয়ন সংঘের সকল কর্মী, অংশীজন, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষানবিশ, সহযোগী সংগঠনের কর্মী, নিয়োগকৃত ভেন্ডরসহ সংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তির দ্বারা যৌন নির্যাতন সংঘটিত হলে সংস্থা কর্তৃক গৃহীত নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষ প্রমাণিত হলে সাথে সাথে অভিযুক্ত কর্মীকে চাকরিচ্যূত করা হবে। এছাড়া সংস্থার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ও প্রকল্পভিত্তিক একজন করে নির্ধারিত কর্মী নিযুক্ত করা, যৌন নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হলে নির্ধারিত ব্যক্তি বা ফোকাল পারসনের নেতৃত্বে ঘটনা তদন্ত করা, এরজন্য দুই বা তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা, অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা গোপন রাখা, মিথ্যা ঘটনা বা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া নীতিমালার উপর মাঠ পর্যায়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ, ওরিয়েন্টেশন প্রদান করা, সকল উপকারভোগীদের সচেতনামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কৌশল বিষয়ক বিশ্লেষণমুখী আলোচনা করা হয়।