ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্কুলজীবনে শিক্ষকদের স্মৃতি : শাহ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ছাগল পেল ১২০ পরিবার মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জনগণের সঠিক ধারণা নির্ভর করে গণমাধ্যমের ওপর : তথ্যমন্ত্রী কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বলিভিয়ায় ব্যর্থ অভ্যুত্থান: সেনা প্রধান গ্রেপ্তার

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক:

বলিভিয়ার সেনা প্রধান ২৬ জুন বুধবার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়ার জন্য সৈন্য ও ট্যাঙ্ক পাঠানোর পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রেসিডেন্ট লুইস আর্স এটাকে একটি অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সৈন্য এবং ট্যাঙ্কগুলো বুধবার বিকেলে যেখানে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ এবং কংগ্রেস ভবন অবস্থিত ঐতিহাসিক স্কোয়ার প্লাজা মুরিলোতে প্রবেশ করে। সারা বিশ্ব এটাকে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানায়।

একটি ট্যাঙ্ক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ধাতব দরজা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল।

সৈন্য এবং আটটি ট্যাঙ্ক দ্বারা পরিবেষ্টিত বর্তমানে বরখাস্ত হওয়া সেনা প্রধান জেনারেল হুয়ান জোসে জুনিগা বলেছেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী গণতন্ত্রকে পুনর্গঠন করতে চায়। দেশকে একটি সত্যিকারের পূর্ণ গণতান্ত্রিক রাষ্টে পরিণত করতে চায়। কারণ, গত ৩০, ৪০ বছর ধরে মুষ্টিমেয় কয়েকজন লোক দ্বারা দেশটি পরিচালিত হচ্ছে।’

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে বিদ্রোহ চলে। এর কিছুক্ষণ পর এএফপি’র সাংবাদিকরা স্কোয়ার থেকে সৈন্য ও ট্যাঙ্ককে পিছু হটতে দেখেন।

তিনি যখন একটি সামরিক ব্যারাকের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখার পরে জুনিগাকে বন্দী করা হয় এবং পুলিশের একটি গাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই সময় ডেপুটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনি আগুইলেরা জুনিগাকে বলেছেন, ‘জেনারেল, আপনাকে গ্রেপ্তার করা হলো।’

প্রেসিডেন্ট আর্স কয়েকশ’ সমর্থকের সামনে তার সরকারি প্রাসাদের একটি বারান্দা থেকে বলেছিলেন, ‘আমরা যে গণতন্ত্র জিতেছি তা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।’

এর আগে তিনি প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের অভ্যন্তরে তার সরকারের মন্ত্রীদের পাশাপাশি দেশটির টেলিভিশনে এক বার্তায় ‘গণতন্ত্রের পক্ষে অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার জন্য বলিভিয়ার জনগণকে’ আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জুনিগাকে গুলি করে তিনি নতুন সামরিক নেতাদের শপথও করেছিলেন।

তাকে গ্রেফতারের ঠিক আগে জুনিগা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আসলে প্রেসিডেন্ট তাকে একটি বিদ্রোহ করতে বলেছিলেন। এইভাবে একটি অভিযান শুরু করলে তাকে শক্তিশালী দেখাবে এবং জনপ্রিয়তার অনুমোদনের রেটিং বাড়িয়ে তুলবে।

২৩ জুন রবিবার এক বৈঠকে জেনারেল বলেন, জুনিগা আর্সকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ‘তাহলে আমরা সাঁজোয়া যান বের করব?’ প্রেসিডেন্ট উত্তরে বলেছিলেন, ওদের বের করে আনুন।’

জেনারেল বলেন, আর্সের নির্দেশনা ছিল ‘তার জনপ্রিয়তা বাড়াতে কিছু করার জন্য।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

বলিভিয়ায় ব্যর্থ অভ্যুত্থান: সেনা প্রধান গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক:

বলিভিয়ার সেনা প্রধান ২৬ জুন বুধবার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়ার জন্য সৈন্য ও ট্যাঙ্ক পাঠানোর পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রেসিডেন্ট লুইস আর্স এটাকে একটি অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সৈন্য এবং ট্যাঙ্কগুলো বুধবার বিকেলে যেখানে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ এবং কংগ্রেস ভবন অবস্থিত ঐতিহাসিক স্কোয়ার প্লাজা মুরিলোতে প্রবেশ করে। সারা বিশ্ব এটাকে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানায়।

একটি ট্যাঙ্ক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ধাতব দরজা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল।

সৈন্য এবং আটটি ট্যাঙ্ক দ্বারা পরিবেষ্টিত বর্তমানে বরখাস্ত হওয়া সেনা প্রধান জেনারেল হুয়ান জোসে জুনিগা বলেছেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী গণতন্ত্রকে পুনর্গঠন করতে চায়। দেশকে একটি সত্যিকারের পূর্ণ গণতান্ত্রিক রাষ্টে পরিণত করতে চায়। কারণ, গত ৩০, ৪০ বছর ধরে মুষ্টিমেয় কয়েকজন লোক দ্বারা দেশটি পরিচালিত হচ্ছে।’

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে বিদ্রোহ চলে। এর কিছুক্ষণ পর এএফপি’র সাংবাদিকরা স্কোয়ার থেকে সৈন্য ও ট্যাঙ্ককে পিছু হটতে দেখেন।

তিনি যখন একটি সামরিক ব্যারাকের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখার পরে জুনিগাকে বন্দী করা হয় এবং পুলিশের একটি গাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই সময় ডেপুটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনি আগুইলেরা জুনিগাকে বলেছেন, ‘জেনারেল, আপনাকে গ্রেপ্তার করা হলো।’

প্রেসিডেন্ট আর্স কয়েকশ’ সমর্থকের সামনে তার সরকারি প্রাসাদের একটি বারান্দা থেকে বলেছিলেন, ‘আমরা যে গণতন্ত্র জিতেছি তা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।’

এর আগে তিনি প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের অভ্যন্তরে তার সরকারের মন্ত্রীদের পাশাপাশি দেশটির টেলিভিশনে এক বার্তায় ‘গণতন্ত্রের পক্ষে অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার জন্য বলিভিয়ার জনগণকে’ আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জুনিগাকে গুলি করে তিনি নতুন সামরিক নেতাদের শপথও করেছিলেন।

তাকে গ্রেফতারের ঠিক আগে জুনিগা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আসলে প্রেসিডেন্ট তাকে একটি বিদ্রোহ করতে বলেছিলেন। এইভাবে একটি অভিযান শুরু করলে তাকে শক্তিশালী দেখাবে এবং জনপ্রিয়তার অনুমোদনের রেটিং বাড়িয়ে তুলবে।

২৩ জুন রবিবার এক বৈঠকে জেনারেল বলেন, জুনিগা আর্সকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ‘তাহলে আমরা সাঁজোয়া যান বের করব?’ প্রেসিডেন্ট উত্তরে বলেছিলেন, ওদের বের করে আনুন।’

জেনারেল বলেন, আর্সের নির্দেশনা ছিল ‘তার জনপ্রিয়তা বাড়াতে কিছু করার জন্য।’