ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুঃস্থ-অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে : ধর্মমন্ত্রী

অহসায়দের হাতে চেক তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অহসায়দের হাতে চেক তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের দুঃস্থ-অসহায় মানুষের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের পাশাপাশি দুঃস্থ-অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

১ জুন শনিবার দুপুরে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলহাজ্ব আব্দুল বারী মন্ডল মিলনায়তনে সরকারি অনুদানের কয়েকটি কর্মসূচির অধীনে দুঃস্থ-অসহায় ও উপকারভোগী ৬০০ জনের মাঝে সরকারি যাকাত ফান্ড ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাধীন তহবিলের চেক, ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীর অনুদান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে প্রাপ্ত আর্থিক অনুদানের চেক, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র, সেলাই মেশিন, সবজি বীজ, পশু ও প্রাণির কৃমিনাশক বড়ি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্যানিটারি ন্যাপকিন, ব্রেঞ্চ, হিজড়াদের মাঝে অনুদান ও স্বপ্ন প্রকল্পের কর্মীদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তার এই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তাদের জীবনমান উন্নত করতে হবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে উন্নত বাংলাদেশ গঠন সম্ভব নয়। এ কারণে সরকার নানামুখী সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে সরকারের প্রদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাই প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাজের দুঃস্থ-অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তিনি অসহায় বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ততা নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এ সকল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি ও ভাতার পরিমাণ ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এছাড়া, দেশের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আইনজীবী জামাল আব্দুন নাছের বাবুল, নবাগত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আইনজীবী আব্দুস সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আকন্দ, অধ্যক্ষ জামাল আবু নাছের চৌধুরী চার্লেছসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুঃস্থ-অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে : ধর্মমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪
অহসায়দের হাতে চেক তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের দুঃস্থ-অসহায় মানুষের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের পাশাপাশি দুঃস্থ-অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

১ জুন শনিবার দুপুরে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলহাজ্ব আব্দুল বারী মন্ডল মিলনায়তনে সরকারি অনুদানের কয়েকটি কর্মসূচির অধীনে দুঃস্থ-অসহায় ও উপকারভোগী ৬০০ জনের মাঝে সরকারি যাকাত ফান্ড ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাধীন তহবিলের চেক, ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীর অনুদান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে প্রাপ্ত আর্থিক অনুদানের চেক, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র, সেলাই মেশিন, সবজি বীজ, পশু ও প্রাণির কৃমিনাশক বড়ি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্যানিটারি ন্যাপকিন, ব্রেঞ্চ, হিজড়াদের মাঝে অনুদান ও স্বপ্ন প্রকল্পের কর্মীদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তার এই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তাদের জীবনমান উন্নত করতে হবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে উন্নত বাংলাদেশ গঠন সম্ভব নয়। এ কারণে সরকার নানামুখী সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে সরকারের প্রদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাই প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাজের দুঃস্থ-অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তিনি অসহায় বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ততা নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এ সকল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি ও ভাতার পরিমাণ ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এছাড়া, দেশের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আইনজীবী জামাল আব্দুন নাছের বাবুল, নবাগত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আইনজীবী আব্দুস সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আকন্দ, অধ্যক্ষ জামাল আবু নাছের চৌধুরী চার্লেছসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।