ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট জব্দ দানেও আনন্দ আছে : জামালপুরে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র দাতাদের অভিমত নিষিদ্ধ ইয়াবা বড়ি সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড মেয়েদের ছাতিয়ানতলা, ছেলেদের মাইনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল পিরোজপুরের সড়কগুলো দ্রুত যান চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন : জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫৪ তম ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

শেখ হাসিনা ২৬ মার্চ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরআগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ৫৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী পরে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে একটি স্মারক ডাক টিকিট, উদ্বোধনী খাম ও একটি ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন।

প্রতি বছর ২৬ মার্চ ইতিহাসের কালোতম পর্বের সবচেয়ে করুণ স্মৃতি নিয়ে আসে যা ২৫ মার্চ, ১৯৭১ এর রাত থেকে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী অগ্নিপরীক্ষার সূচনা করেছিল এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ লালিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল।

তৎকালীন পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর সামরিক দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চের পরের রাতে) ০০-৩০টায় তৎকালীন ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) এর ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।

বাঙালি জাতির কাছে দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫৪ তম ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

শেখ হাসিনা ২৬ মার্চ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরআগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ৫৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী পরে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে একটি স্মারক ডাক টিকিট, উদ্বোধনী খাম ও একটি ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন।

প্রতি বছর ২৬ মার্চ ইতিহাসের কালোতম পর্বের সবচেয়ে করুণ স্মৃতি নিয়ে আসে যা ২৫ মার্চ, ১৯৭১ এর রাত থেকে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী অগ্নিপরীক্ষার সূচনা করেছিল এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ লালিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল।

তৎকালীন পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর সামরিক দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চের পরের রাতে) ০০-৩০টায় তৎকালীন ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) এর ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।

বাঙালি জাতির কাছে দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান।