ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫৪ তম ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

শেখ হাসিনা ২৬ মার্চ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরআগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ৫৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী পরে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে একটি স্মারক ডাক টিকিট, উদ্বোধনী খাম ও একটি ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন।

প্রতি বছর ২৬ মার্চ ইতিহাসের কালোতম পর্বের সবচেয়ে করুণ স্মৃতি নিয়ে আসে যা ২৫ মার্চ, ১৯৭১ এর রাত থেকে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী অগ্নিপরীক্ষার সূচনা করেছিল এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ লালিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল।

তৎকালীন পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর সামরিক দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চের পরের রাতে) ০০-৩০টায় তৎকালীন ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) এর ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।

বাঙালি জাতির কাছে দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫৪ তম ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

শেখ হাসিনা ২৬ মার্চ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরআগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ৫৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী পরে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে একটি স্মারক ডাক টিকিট, উদ্বোধনী খাম ও একটি ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন।

প্রতি বছর ২৬ মার্চ ইতিহাসের কালোতম পর্বের সবচেয়ে করুণ স্মৃতি নিয়ে আসে যা ২৫ মার্চ, ১৯৭১ এর রাত থেকে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী অগ্নিপরীক্ষার সূচনা করেছিল এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ লালিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল।

তৎকালীন পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর সামরিক দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চের পরের রাতে) ০০-৩০টায় তৎকালীন ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) এর ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।

বাঙালি জাতির কাছে দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান।