ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি শিশু বক্করের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী ডিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে কষ্টি পাথরসদৃশ বস্তু জব্দ, আটক ১১ যমুনায় ফের ইউরিয়া উৎপাদন শুরু জামালপুরে শরৎকালীন টেনিস টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত এপেক সম্মেলনের আগে কিমের দরজায় কড়া নাড়ছেন ট্রাম্প বন্যার পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে চালককে উদ্ধার করলেন অস্ট্রেলীয় টিভি সাংবাদিক কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডে ৪ সেনা নিহত, আহত ৩৯ এআইয়ের মাধ্যমে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত, বিশ্বজুড়ে বন্ধ বহু ওয়েবসাইট সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

যমুনার পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে, দেওয়ানগঞ্জে নদীতে বিলীন বসতি বাড়ি ও ফসলি জমি

দেওয়ানগঞ্জের নয়া গ্রামের সামছুল হকের বসতি বাড়ি। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

দেওয়ানগঞ্জের নয়া গ্রামের সামছুল হকের বসতি বাড়ি। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা, জিঞ্জিরাম, দশানি, ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে ফসলি জমি ও বসত বাড়ি। হুমকীর মুখে রয়েছে বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ঝালোর চর ও চিকাজানি ইউনিয়নের মন্ডল বাজার। হতাশায় রয়েছে নদী তীরবর্তী পরিবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৬ জুলাই সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির কারণে উপজেলার চিকাজানি ইউনিয়নের বওলাতুলি, পশ্চিম কাজলাপাড়া, নয়াগ্রাম, ফারাজি পাড়া ৫০টি বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। হুমকীর মুখে রয়েছে মন্ডল বাজার। স্থানীয়রা ঘরসহ আসবাবপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে নৌকা যুগে।

দেওয়ানগঞ্জের নয়া গ্রামের সামছুল হকের বসতি বাড়ি। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নয়াগ্রামের ক্ষতিগস্ত সামছুল হক জানান, কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে তীব্র স্রোতে বসতিবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে।

আসবাবপত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে নৌকা যুগে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ঝালোর চর এলাকায় বাড়ি-ঘর ও ঝালোর চর জামে মসজিদ ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিলিন হয়েছে। হুমকীর মুখে রয়েছে বসতি বাড়ি-ঘর ও ঝালোর চর বাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুন্নাহার শেফা জানান, নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নদী ভাঙ্গন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্য জিআর চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

যমুনার পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে, দেওয়ানগঞ্জে নদীতে বিলীন বসতি বাড়ি ও ফসলি জমি

আপডেট সময় ০৫:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩
দেওয়ানগঞ্জের নয়া গ্রামের সামছুল হকের বসতি বাড়ি। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা, জিঞ্জিরাম, দশানি, ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে ফসলি জমি ও বসত বাড়ি। হুমকীর মুখে রয়েছে বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ঝালোর চর ও চিকাজানি ইউনিয়নের মন্ডল বাজার। হতাশায় রয়েছে নদী তীরবর্তী পরিবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৬ জুলাই সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির কারণে উপজেলার চিকাজানি ইউনিয়নের বওলাতুলি, পশ্চিম কাজলাপাড়া, নয়াগ্রাম, ফারাজি পাড়া ৫০টি বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। হুমকীর মুখে রয়েছে মন্ডল বাজার। স্থানীয়রা ঘরসহ আসবাবপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে নৌকা যুগে।

দেওয়ানগঞ্জের নয়া গ্রামের সামছুল হকের বসতি বাড়ি। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নয়াগ্রামের ক্ষতিগস্ত সামছুল হক জানান, কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে তীব্র স্রোতে বসতিবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে।

আসবাবপত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে নৌকা যুগে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ঝালোর চর এলাকায় বাড়ি-ঘর ও ঝালোর চর জামে মসজিদ ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিলিন হয়েছে। হুমকীর মুখে রয়েছে বসতি বাড়ি-ঘর ও ঝালোর চর বাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুন্নাহার শেফা জানান, নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নদী ভাঙ্গন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্য জিআর চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।