ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী : দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য অপতথ্য রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর ড. ইউনূসকে ‘হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি মাদারগঞ্জে অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের ফিজির সমুদ্রসীমায় মোতায়েন হবে অস্ট্রেলিয়ার সৌরশক্তিচালিত সামরিক ড্রোন রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা ‘লজ্জাজনক’ : ট্রাম্প ইরানী ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে কিউবার ব্যাংকের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৪ যমুনা সার কারখানা পরিদর্শনে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা

সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষ্যে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ১২ মে এ কথা জানিয়েছেন।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।

মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী : দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষ্যে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ১২ মে এ কথা জানিয়েছেন।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।

মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।