ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘পেটের কৃমি পুষ্টি লুটে, ওষুধ খেলে মুক্তি জোটে’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ২২ ডিসেম্বর জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস। এতে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আবু আব্দুল্লাহ সাফি, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারী ইভা, জেলা জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজজাক, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার সরকার, মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজি রফিক, সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জুয়েল আশরাফ, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মুনীর হোসাইন খান, এনআই প্রতিনিধি শিরিনা আক্তার প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার বদরুল আলম।

আগামী ৭ থেকে ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত জেলার ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী সকল শিশুকে কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হবে। স্কুলভিত্তিক এ কার্যক্রম সফল করতে সরকারি, বেসরকারি, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষকসহ সমন্বিত উদ্যোগে সপ্তাহটি সফল করতে উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এক্ষেত্রে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিউজ প্রচার, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং করা, এনজিওদের বিভিন্ন দলে আলোচনাসহ নানা কৌশলে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কথা জানানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২২
জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘পেটের কৃমি পুষ্টি লুটে, ওষুধ খেলে মুক্তি জোটে’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ২২ ডিসেম্বর জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস। এতে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আবু আব্দুল্লাহ সাফি, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারী ইভা, জেলা জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজজাক, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার সরকার, মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজি রফিক, সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জুয়েল আশরাফ, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মুনীর হোসাইন খান, এনআই প্রতিনিধি শিরিনা আক্তার প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার বদরুল আলম।

আগামী ৭ থেকে ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত জেলার ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী সকল শিশুকে কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হবে। স্কুলভিত্তিক এ কার্যক্রম সফল করতে সরকারি, বেসরকারি, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষকসহ সমন্বিত উদ্যোগে সপ্তাহটি সফল করতে উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এক্ষেত্রে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিউজ প্রচার, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং করা, এনজিওদের বিভিন্ন দলে আলোচনাসহ নানা কৌশলে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কথা জানানো হয়।