ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান মিল্লাতের জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা ইসলামপুরে আলাই বিলে শিশু নিখোঁজ মাদারগঞ্জে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১৬ মাসের শিশু রাতুলের নকলায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা নিয়ে বিরোধ, দ্বিতীয় স্ত্রী আদালতে ইসলামপুরে ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের মশাল মিছিল ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ ফ্রান্সের

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ করেছে ফ্রান্স।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভ লু দ্রিয়া শনিবার অভিযোগ করে বলেছেন, পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রির চুক্তিকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যে বলে সংকট বাড়িয়ে তুলছে।

এই চুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশ দুটিতে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর এমন অভিযোগ উঠল।

টেলিভিশন চ্যানেল ফ্রান্স-২-এর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটি ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ ও অপমানজনক আচরণ করেছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে চুক্তি হয়। এইউকেইউএস নামের এই চুক্তির অধীনে অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি সরবরাহ করবে ওই দুই দেশ।

কিন্তু এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের সাবমেরিন সংশ্লিষ্ট চুক্তি হয়েছিল। যার আর্থিক মূল্য ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৩৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৩১ বিলিয়ন ইউরো) ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে ফ্রান্স। এছাড়া দুই দেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই চুক্তির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফ্রান্সকে বিষয়টি জানানো হয়।

এ প্রেক্ষাপটে জ্যঁ-ইভ লু দ্রিয়া বলেন, নতুন এই চুক্তি মিত্রদেশগুলোর সম্পর্কের মধ্যে ‘মারাত্মক সংকট’ সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম আমরা আমাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে আনলাম। এটি একটি গুরুতর রাজনৈতিক পদক্ষেপ।’

উল্লেখ্য, ফ্রান্সের নৌযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেভাল গ্রুপের কাছ থেকে নতুন সাবমেরিন তৈরি করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দেশটি সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল ২০১৬ সালে।

গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ফ্রান্স সফরকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কথা বলেছিলেন।

এমনকি দুই সপ্তাহ আগেও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, তাঁরা ফ্রান্সের কাছ থেকেই এই সাবমেরিন তৈরি করে নেবেন। কিন্তু দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে অষ্ট্রেলিয়া।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিটার ডাটন ফ্রান্সের বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যানবেরা যা করেছে তা খোলামেলা ও সততার সঙ্গে করেছে বলে দাবি করেছেন।

এছাড়া রোববার দেশটির অর্থমন্ত্রী সিমন বার্মিংহাম বলেছেন, চুক্তিটি প্রকাশের আগে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব এ বিষয়ে ফরাসি সরকারকে জানানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ ফ্রান্সের

আপডেট সময় ০৯:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ করেছে ফ্রান্স।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভ লু দ্রিয়া শনিবার অভিযোগ করে বলেছেন, পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রির চুক্তিকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যে বলে সংকট বাড়িয়ে তুলছে।

এই চুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশ দুটিতে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর এমন অভিযোগ উঠল।

টেলিভিশন চ্যানেল ফ্রান্স-২-এর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটি ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ ও অপমানজনক আচরণ করেছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে চুক্তি হয়। এইউকেইউএস নামের এই চুক্তির অধীনে অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি সরবরাহ করবে ওই দুই দেশ।

কিন্তু এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের সাবমেরিন সংশ্লিষ্ট চুক্তি হয়েছিল। যার আর্থিক মূল্য ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৩৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৩১ বিলিয়ন ইউরো) ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে ফ্রান্স। এছাড়া দুই দেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই চুক্তির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফ্রান্সকে বিষয়টি জানানো হয়।

এ প্রেক্ষাপটে জ্যঁ-ইভ লু দ্রিয়া বলেন, নতুন এই চুক্তি মিত্রদেশগুলোর সম্পর্কের মধ্যে ‘মারাত্মক সংকট’ সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম আমরা আমাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে আনলাম। এটি একটি গুরুতর রাজনৈতিক পদক্ষেপ।’

উল্লেখ্য, ফ্রান্সের নৌযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেভাল গ্রুপের কাছ থেকে নতুন সাবমেরিন তৈরি করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দেশটি সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল ২০১৬ সালে।

গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ফ্রান্স সফরকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কথা বলেছিলেন।

এমনকি দুই সপ্তাহ আগেও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, তাঁরা ফ্রান্সের কাছ থেকেই এই সাবমেরিন তৈরি করে নেবেন। কিন্তু দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে অষ্ট্রেলিয়া।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিটার ডাটন ফ্রান্সের বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যানবেরা যা করেছে তা খোলামেলা ও সততার সঙ্গে করেছে বলে দাবি করেছেন।

এছাড়া রোববার দেশটির অর্থমন্ত্রী সিমন বার্মিংহাম বলেছেন, চুক্তিটি প্রকাশের আগে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব এ বিষয়ে ফরাসি সরকারকে জানানো হয়েছে।