ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

টোকিওতে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

৭ জানুয়ারি এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদি সুগা।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হচ্ছে জরুরি অবস্থা। যা কার্যকর থাকবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কঠোর লকডাউনের তুলনায় কিছুটা নমনীয় থাকবে জাপানের রাজধানী।

প্রাথমিকভাবে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে রেস্তোঁরা ও বারগুলোকে। সন্ধ্যা ৭ টার পর বারগুলোকে মদ পরিবেশন বন্ধের অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া শহরের বাসিন্দাদের অতি জরুরি না হলে রাত ৮টার পর বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।

টোকিও জরুরি অবস্থা চেয়ে আবেদন করে। এর পাশাপাশি আরো তিন প্রদেশ আবেদন করে। সেগুলো হচ্ছে- সাইতামা, কানাগাওয়া এবং চিবা।

দেশব্যাপী নতুন করোনাভাইরাসের দ্রুত বিস্তারে জনজীবন ও অর্থনীতিতে অনেক বেশি প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে, দেশটির মহামারী মোকাবিলা বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণ পাচ্ছি। আমরা বেশ গুরুতর সংকটে পড়তে যাচ্ছি।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

টোকিওতে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি

আপডেট সময় ১১:৪৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

৭ জানুয়ারি এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদি সুগা।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হচ্ছে জরুরি অবস্থা। যা কার্যকর থাকবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কঠোর লকডাউনের তুলনায় কিছুটা নমনীয় থাকবে জাপানের রাজধানী।

প্রাথমিকভাবে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে রেস্তোঁরা ও বারগুলোকে। সন্ধ্যা ৭ টার পর বারগুলোকে মদ পরিবেশন বন্ধের অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া শহরের বাসিন্দাদের অতি জরুরি না হলে রাত ৮টার পর বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।

টোকিও জরুরি অবস্থা চেয়ে আবেদন করে। এর পাশাপাশি আরো তিন প্রদেশ আবেদন করে। সেগুলো হচ্ছে- সাইতামা, কানাগাওয়া এবং চিবা।

দেশব্যাপী নতুন করোনাভাইরাসের দ্রুত বিস্তারে জনজীবন ও অর্থনীতিতে অনেক বেশি প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে, দেশটির মহামারী মোকাবিলা বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণ পাচ্ছি। আমরা বেশ গুরুতর সংকটে পড়তে যাচ্ছি।’