ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল শিশুদের স্কুলমুখী করতে মিড ডে মিল চালু করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত নকলায় আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বপ্ননীড় একাদশ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যানের অনাস্থা চেয়ে ইউপি সদস্যদের আবেদন

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুকের অনাস্থা চেয়ে আবেদন করেছেন পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্য।

তারা বর্তমান প্যানেল বাতিল করে নতুন প্যানেল তৈরির জন্য ২৩ মার্চ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

এর আগে ১৯ মার্চ ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্য রেজুলেশনের মাধ্যমে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুককে অনাস্থা চেয়ে স্বাক্ষর প্রদান করেন।

ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নুরুল হক জানান, ২০১৬ সালে ধানুয়া কামালপুর ইউপি নির্বাচনে মোস্তফা কামাল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তিনি নির্বাচিত হয়ে অপকৌশলের মাধ্যমে ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান ফারুকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে তালিকা করেন।

গত বছর বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলে থাকায় প্যানেল চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান।

তিনি দায়িত্ব নিয়েই ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ করলে তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকায় জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার হন ফারুক।

এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘুষ নেওয়া, নারী ইউপি সদস্যদের সাথে অশালীন আচরণ সহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

এতে করে ইউনিয়ন পরিষদের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। ফলে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হলে ১৯ মার্চ ইউপি সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুককে অনাস্থা দেওয়ার প্রস্তাব রেজুলেশনের মাধ্যমে পাশ করা হয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের উপর ভিত্তি করে বর্তমান প্যানেল বাতিল করে দ্রুত নতুন প্যানেল ঘোষণার দাবিতে ইউএনও’র কাছে সোমবার লিখিত আবেদন করেন সংখ্যাগরিষ্ঠ ৮ ইউপি সদস্য।

ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুক বলেন, তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

একারণেই আমার প্যানেল বাতিলের আবেদন করেছেন। বিধিমতে তারা এটা করতে পারেন না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার জানান, ৮ জন ইউপি সদস্যদের একটি আবেদন পেয়েছি। আবেদনের কপি শিগগিরই জেলা প্রশাসক (ডিসি) স্যারের কাছে পাঠানো হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যানের অনাস্থা চেয়ে ইউপি সদস্যদের আবেদন

আপডেট সময় ০৬:০৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২০

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুকের অনাস্থা চেয়ে আবেদন করেছেন পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্য।

তারা বর্তমান প্যানেল বাতিল করে নতুন প্যানেল তৈরির জন্য ২৩ মার্চ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

এর আগে ১৯ মার্চ ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্য রেজুলেশনের মাধ্যমে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুককে অনাস্থা চেয়ে স্বাক্ষর প্রদান করেন।

ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নুরুল হক জানান, ২০১৬ সালে ধানুয়া কামালপুর ইউপি নির্বাচনে মোস্তফা কামাল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তিনি নির্বাচিত হয়ে অপকৌশলের মাধ্যমে ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান ফারুকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে তালিকা করেন।

গত বছর বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলে থাকায় প্যানেল চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান।

তিনি দায়িত্ব নিয়েই ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ করলে তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকায় জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার হন ফারুক।

এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘুষ নেওয়া, নারী ইউপি সদস্যদের সাথে অশালীন আচরণ সহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

এতে করে ইউনিয়ন পরিষদের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। ফলে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হলে ১৯ মার্চ ইউপি সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুককে অনাস্থা দেওয়ার প্রস্তাব রেজুলেশনের মাধ্যমে পাশ করা হয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের উপর ভিত্তি করে বর্তমান প্যানেল বাতিল করে দ্রুত নতুন প্যানেল ঘোষণার দাবিতে ইউএনও’র কাছে সোমবার লিখিত আবেদন করেন সংখ্যাগরিষ্ঠ ৮ ইউপি সদস্য।

ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুক বলেন, তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

একারণেই আমার প্যানেল বাতিলের আবেদন করেছেন। বিধিমতে তারা এটা করতে পারেন না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার জানান, ৮ জন ইউপি সদস্যদের একটি আবেদন পেয়েছি। আবেদনের কপি শিগগিরই জেলা প্রশাসক (ডিসি) স্যারের কাছে পাঠানো হবে।