ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফায়ারম্যান সোহেলের দাফন সম্পন্ন

ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহিত

ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহিত

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুনের ঘটনায় উদ্ধার কাজে অংশ নিয়ে নিহত ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার গ্রামের বাড়িতে ৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে রাজধানীতে ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে হয় প্রথম জানাজা হয়। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন অংশ নিয়ে সোহেল রানার পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

আগুনে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর যুদ্ধে জিতলেও মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মী সোহেল রানা। ৮ এপ্রিল রাত পৌনে এগারোটায় সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তার মরদেহ। ৯ এপ্রিল সকালে মরদেহ নেয়া হয় ফুলবাড়িয়ায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে।

সেখানে ফায়ারম্যান সোহেল রানার পরিবারের সদস্য ও তার দীর্ঘ দিনের সহকর্মীরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালসহ সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্তাব্যক্তিরা।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বনানীতে আগুনের সময় উদ্ধার কাজে নিজের জীবন উৎসর্গ করে এবং অন্যের জীবন বাঁচিয়ে যে দৃষ্টান্ত সোহেল রানা স্থাপন করেছেন, তা পুরো বাহিনীর জন্য গৌরবের।

স্বজন হারানোর ব্যাথা থাকলেও নিহত সোহেলের পরিবারের সদস্যরা গর্বিত তার জন্য।

বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে গুরুতর আহত হন সোহেল রানা। ৮ এপ্রিল সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফায়ারম্যান সোহেলের দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় ১০:৪০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০১৯
ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহিত

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুনের ঘটনায় উদ্ধার কাজে অংশ নিয়ে নিহত ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার গ্রামের বাড়িতে ৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে রাজধানীতে ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে হয় প্রথম জানাজা হয়। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন অংশ নিয়ে সোহেল রানার পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

আগুনে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর যুদ্ধে জিতলেও মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মী সোহেল রানা। ৮ এপ্রিল রাত পৌনে এগারোটায় সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তার মরদেহ। ৯ এপ্রিল সকালে মরদেহ নেয়া হয় ফুলবাড়িয়ায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে।

সেখানে ফায়ারম্যান সোহেল রানার পরিবারের সদস্য ও তার দীর্ঘ দিনের সহকর্মীরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালসহ সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্তাব্যক্তিরা।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বনানীতে আগুনের সময় উদ্ধার কাজে নিজের জীবন উৎসর্গ করে এবং অন্যের জীবন বাঁচিয়ে যে দৃষ্টান্ত সোহেল রানা স্থাপন করেছেন, তা পুরো বাহিনীর জন্য গৌরবের।

স্বজন হারানোর ব্যাথা থাকলেও নিহত সোহেলের পরিবারের সদস্যরা গর্বিত তার জন্য।

বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে গুরুতর আহত হন সোহেল রানা। ৮ এপ্রিল সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ