ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ভিজিএফের চাল বেচাকেনার দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা, চাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামালপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের সিএনএসএ প্রকল্প বিষয়ক ধারণা উপস্থাপন শেরপুরে ব্যবসায়ী জয়নালের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ : এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাদারগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ গরু, দগ্ধ আরও দুটি

শেরপুরে ব্যবসায়ী জয়নালের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা

শেরপুর : ঋণখেলাপী ব্যবসায়ী মো. জয়নাল আবেদীন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‎ঋণ খেলাপীর কারণে শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রাহক ব্যবসায়ী আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং চেকে বর্ণিত তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩  টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে যুগ্ম জেলা জজ আদালত, জামালপুর এর বিজ্ঞ জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট এবং সেশন জজ ইকবাল মাহমুদ এই রায় দেন। আদালত ইসলামী ব্যাংক শেরপুর শাখার খেলাপী গ্রাহক জয়নাল আবেদীনকে গ্রেপ্তারে গ্রেপ্তারী পরোয়ানাও জারি করেছেন।

আদালত, পুলিশ ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স সাকী অটো রাইস মিল প্রাইভেট লি: এর চেয়ারম্যান আলহাজ জয়নাল আবেদীন শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ১০০ তিন কোটি টাকার বিনিয়োগ গ্রহণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ জোনের সর্ববৃহৎ খেলাপী গ্রাহক।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে ৭৩০/২৬ নম্বর দায়রা মামলায় জয়নাল আবেদীনের এক বছরের কারাদন্ড ও তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকার অর্থদন্ড হয়। সেই সাথে আদালত থেকে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়।

জয়নাল আবেদীন এই প্রতিবেককে বলেন, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিষয়টি সঠিক নয়। এই মামলায় তো এখনও স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণই শুরু হয়নি।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেরপুর শাখা ব্যবস্থাপক ও এভিপি মোহাম্মদ গোলাম মাসুদ এই বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিবেদককে বলেন, ব্যাংক পাওনা আদায়ের জন্য আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের সাথে লিখিত, মৌখিক ও সশরীরে ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ বারবার প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার পরেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। বিধায় ব্যাংক তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি উক্ত এমাউন্টের চেকটি দিয়েছিলেন। শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের জন্য আইনী ও অন্যান্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ এই প্রতিবেদককে বলেন, গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আদেশপত্র হাতে পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে ভিজিএফের চাল বেচাকেনার দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা, চাল জব্দ

শেরপুরে ব্যবসায়ী জয়নালের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

‎ঋণ খেলাপীর কারণে শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রাহক ব্যবসায়ী আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং চেকে বর্ণিত তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩  টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে যুগ্ম জেলা জজ আদালত, জামালপুর এর বিজ্ঞ জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট এবং সেশন জজ ইকবাল মাহমুদ এই রায় দেন। আদালত ইসলামী ব্যাংক শেরপুর শাখার খেলাপী গ্রাহক জয়নাল আবেদীনকে গ্রেপ্তারে গ্রেপ্তারী পরোয়ানাও জারি করেছেন।

আদালত, পুলিশ ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স সাকী অটো রাইস মিল প্রাইভেট লি: এর চেয়ারম্যান আলহাজ জয়নাল আবেদীন শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ১০০ তিন কোটি টাকার বিনিয়োগ গ্রহণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ জোনের সর্ববৃহৎ খেলাপী গ্রাহক।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে ৭৩০/২৬ নম্বর দায়রা মামলায় জয়নাল আবেদীনের এক বছরের কারাদন্ড ও তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকার অর্থদন্ড হয়। সেই সাথে আদালত থেকে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়।

জয়নাল আবেদীন এই প্রতিবেককে বলেন, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিষয়টি সঠিক নয়। এই মামলায় তো এখনও স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণই শুরু হয়নি।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেরপুর শাখা ব্যবস্থাপক ও এভিপি মোহাম্মদ গোলাম মাসুদ এই বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিবেদককে বলেন, ব্যাংক পাওনা আদায়ের জন্য আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের সাথে লিখিত, মৌখিক ও সশরীরে ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ বারবার প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার পরেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। বিধায় ব্যাংক তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি উক্ত এমাউন্টের চেকটি দিয়েছিলেন। শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের জন্য আইনী ও অন্যান্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ এই প্রতিবেদককে বলেন, গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আদেশপত্র হাতে পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।