ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাদারগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ গরু, দগ্ধ আরও দুটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

জামালপুর : সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী সাদ্দাম হোসেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারার কৃষ্ণপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক ও তাদের লোকজনের উপরে হামলা চালিয়ে একজনের পায়ের রগ কেটে দেওয়াসহ একাধিক আহত করেও হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে জামালপুর শহরের একটি মিডিয়া কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

হামলা-মারধর, মামলা করেও থেমে থাকেনি সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউপির কৃষ্ণপুর গ্রামের মৎস্যজীবী শফিকুল ইসলাম ও তার লোকজনেরা। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে মানববন্ধনের মাধ্যমেও সাদ্দাম হোসেনদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সাথে হামলায় একাধিক আহতের ঘটনা ঘটলেও অদৃশ্য কারণে মামলা নিচ্ছে না সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী কৃষ্ণপুর বেপারিপাড়ার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন বলেন, আমরা কৃষ্ণপুর মৌজার বিআরএস খতিয়ান ১১০, দাগ ১২২, ১২৩, জমির পরিমাণ-৬৩ শতাংশ জমির মালিক। ১৯৪২ সাল থেকে দাখিলা মূলে আরওআর ও বিআরএস এবং খাজনা-খারিজসহ আমাদের নামেই রেকর্ড ভুক্ত হয়। ২০২০ সাল পর্যন্ত ওই জায়গা আমরা ভোগদখল করে আসছি। বিগত সরকারের সময়ে জামালপুর সদরের মেষ্টা ইউনিয়নের বীর মল্লিকপুর ফুলারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও তার লোকজনেরা আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে রাতের আধারে জোরপূর্বক উক্ত জমি দখল করে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার মুরুব্বি ও মাতাব্বারদের নিয়ে বসার কথা থাকলেও তারা বসতে রাজি হয়নি। এছাড়া ওই ভূমিদস্যু শফিকুল ও তার লোকজনেরা আমাদের বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি দেয়। এর আগেই শফিকুল ইসলাম বিআরএস রেকর্ড ভাঙ্গার মামলা করে একতরফা ডিক্রি কৌশলে আদায় করে। যা বিবাদী পক্ষ আমরা কোনরকম নোটিশ পাই নাই। আমরা তাদের একতরফা ডিক্রি সুপ্রিমকোর্টে রিট করলে রায় স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। যার রিট নম্বর ৫৩৩৮/২০২৬ইং।

সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, আমরা জমিতে গেলে আমার ভাতিজা আসাদুলকে শফিকুল ইসলামপুর ও তার লোকজনেরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে ডান পায়ের রগ কেটে ফেলে। পরবর্তীতে আসাদুলকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই বর্তমানেও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলায় আমিও বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলেও গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হই। এই ঘটনায় শফিকুল ও তার লোকজনেরা নিজেরাই পূর্বপরিকল্পিভাবে বিরোধপূর্ণ ভূমিতে বসতঘর উঠিয়ে নিজেররাই আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়া তারা মিথ্যা অপপ্রচার করে একটি মানববন্ধন করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এবং আমরা এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ১০:১৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারার কৃষ্ণপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক ও তাদের লোকজনের উপরে হামলা চালিয়ে একজনের পায়ের রগ কেটে দেওয়াসহ একাধিক আহত করেও হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে জামালপুর শহরের একটি মিডিয়া কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

হামলা-মারধর, মামলা করেও থেমে থাকেনি সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউপির কৃষ্ণপুর গ্রামের মৎস্যজীবী শফিকুল ইসলাম ও তার লোকজনেরা। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে মানববন্ধনের মাধ্যমেও সাদ্দাম হোসেনদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সাথে হামলায় একাধিক আহতের ঘটনা ঘটলেও অদৃশ্য কারণে মামলা নিচ্ছে না সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী কৃষ্ণপুর বেপারিপাড়ার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন বলেন, আমরা কৃষ্ণপুর মৌজার বিআরএস খতিয়ান ১১০, দাগ ১২২, ১২৩, জমির পরিমাণ-৬৩ শতাংশ জমির মালিক। ১৯৪২ সাল থেকে দাখিলা মূলে আরওআর ও বিআরএস এবং খাজনা-খারিজসহ আমাদের নামেই রেকর্ড ভুক্ত হয়। ২০২০ সাল পর্যন্ত ওই জায়গা আমরা ভোগদখল করে আসছি। বিগত সরকারের সময়ে জামালপুর সদরের মেষ্টা ইউনিয়নের বীর মল্লিকপুর ফুলারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও তার লোকজনেরা আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে রাতের আধারে জোরপূর্বক উক্ত জমি দখল করে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার মুরুব্বি ও মাতাব্বারদের নিয়ে বসার কথা থাকলেও তারা বসতে রাজি হয়নি। এছাড়া ওই ভূমিদস্যু শফিকুল ও তার লোকজনেরা আমাদের বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি দেয়। এর আগেই শফিকুল ইসলাম বিআরএস রেকর্ড ভাঙ্গার মামলা করে একতরফা ডিক্রি কৌশলে আদায় করে। যা বিবাদী পক্ষ আমরা কোনরকম নোটিশ পাই নাই। আমরা তাদের একতরফা ডিক্রি সুপ্রিমকোর্টে রিট করলে রায় স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। যার রিট নম্বর ৫৩৩৮/২০২৬ইং।

সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, আমরা জমিতে গেলে আমার ভাতিজা আসাদুলকে শফিকুল ইসলামপুর ও তার লোকজনেরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে ডান পায়ের রগ কেটে ফেলে। পরবর্তীতে আসাদুলকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই বর্তমানেও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলায় আমিও বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলেও গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হই। এই ঘটনায় শফিকুল ও তার লোকজনেরা নিজেরাই পূর্বপরিকল্পিভাবে বিরোধপূর্ণ ভূমিতে বসতঘর উঠিয়ে নিজেররাই আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়া তারা মিথ্যা অপপ্রচার করে একটি মানববন্ধন করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এবং আমরা এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।