ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

মাদারগঞ্জে ফলিত পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

মাদারগঞ্জ : বক্তব্য রাখেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

২১ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) নেত্রকোনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহারের তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মশালার প্রথম দিনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার রিজভী আহমেদ, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও বারটানের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ দেন।

বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহার বলেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্যের বিকল্প নেই। ফলিত পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, ইমাম, এনজিওকর্মী ও কৃষক-কৃষাণীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে তারা সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।

মাদারগঞ্জ : ফলিত পুষ্টি বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহার ও অংশগ্রহণকারীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রশিক্ষণে সুষম খাবার, খাদ্যের উপাদান, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, আঁশ জাতীয় খাদ্য, রোগ প্রতিরোধকারী খাদ্য, স্নেহ জাতীয় খাদ্য, মাছ, মাংস, ডিম ও দুধজাত পুষ্টি উপাদানসহ খাদ্য পুষ্টি ও ফলিত পুষ্টির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

তিনদিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, ইমাম, এনজিওকর্মী ও কৃষক-কৃষাণীসহ ৬০ জন অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

মাদারগঞ্জে ফলিত পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

আপডেট সময় ১১:০৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

২১ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) নেত্রকোনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহারের তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মশালার প্রথম দিনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার রিজভী আহমেদ, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও বারটানের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ দেন।

বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহার বলেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্যের বিকল্প নেই। ফলিত পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, ইমাম, এনজিওকর্মী ও কৃষক-কৃষাণীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে তারা সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।

মাদারগঞ্জ : ফলিত পুষ্টি বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অঞ্চল প্রধান ডক্টর মোসা. আলতাফ-উন-নাহার ও অংশগ্রহণকারীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রশিক্ষণে সুষম খাবার, খাদ্যের উপাদান, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, আঁশ জাতীয় খাদ্য, রোগ প্রতিরোধকারী খাদ্য, স্নেহ জাতীয় খাদ্য, মাছ, মাংস, ডিম ও দুধজাত পুষ্টি উপাদানসহ খাদ্য পুষ্টি ও ফলিত পুষ্টির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

তিনদিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, ইমাম, এনজিওকর্মী ও কৃষক-কৃষাণীসহ ৬০ জন অংশ নেন।