ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

এসএসসি : মাদারগঞ্জে ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করেনি

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থীই পাস করেনি। এছাড়া পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন, তিনটি প্রতিষ্ঠানে দু’জন ও তিনটি প্রতিষ্ঠানে তিনজন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ১০ জুলাই, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফলে দেখা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলায় গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ হলেও রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা ও কেপিএইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেয়া আটহন পরীক্ষার্থীর কেউ উত্তীর্ণ হয়নি। এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল, নব্যচর কারিগরী কলেজ থেকে একজন করে পরীক্ষায় পাস করেছে।

বিদ্যালয় ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে তিনজন, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে দুইজন ও কেপিএইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল থেকে ১৩ জন, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৪ জন, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৭ জন, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল থেকে ২৩ জন ও নব্যচর কারিগরী কলেজ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে পাস করা আমাদের শিক্ষার একটি অশনি সংকেত। অব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের ঘাটতি এসব ফলাফলের জন্য দায়ী। শুধু শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা এবং স্কুলের যে ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০২৫ সালে উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ছিলেন চার হাজার ৪৪৭ জন। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে দুই হাজার ৩৪৬ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৭ জন শিক্ষার্থী। এই পরীক্ষায় দুই হাজার ১০১জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

এসএসসি : মাদারগঞ্জে ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করেনি

আপডেট সময় ০৯:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থীই পাস করেনি। এছাড়া পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন, তিনটি প্রতিষ্ঠানে দু’জন ও তিনটি প্রতিষ্ঠানে তিনজন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ১০ জুলাই, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফলে দেখা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলায় গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ হলেও রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা ও কেপিএইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেয়া আটহন পরীক্ষার্থীর কেউ উত্তীর্ণ হয়নি। এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল, নব্যচর কারিগরী কলেজ থেকে একজন করে পরীক্ষায় পাস করেছে।

বিদ্যালয় ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে তিনজন, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে দুইজন ও কেপিএইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল থেকে ১৩ জন, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৪ জন, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৭ জন, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল থেকে ২৩ জন ও নব্যচর কারিগরী কলেজ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে পাস করা আমাদের শিক্ষার একটি অশনি সংকেত। অব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের ঘাটতি এসব ফলাফলের জন্য দায়ী। শুধু শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা এবং স্কুলের যে ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০২৫ সালে উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ছিলেন চার হাজার ৪৪৭ জন। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে দুই হাজার ৩৪৬ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৭ জন শিক্ষার্থী। এই পরীক্ষায় দুই হাজার ১০১জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।