ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল ইসলামপুরে জমির বিরোধে সংঘর্ষ : নিহত ১ বকশীগঞ্জে বাসচাপায় বউ-শাশুড়ি নিহত মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে জামালপুরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেরপুরে আন্তর্জাতিক পোডিয়াট্রি দিবস পালিত প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপিত সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ধ্বংস হচ্ছে বাড়িঘর ও গবাদিপশু

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য জুড়ে ১৭ নভেম্বর রবিবার বেশ কয়েকটি দাবানল জ্বলছে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাসিন্দাদের জোর করে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে এবং এতে অন্তত একটি বাড়ি ধ্বংস করেছে। সিডনি থেকে এএফপি এখবর জানায়।

প্রবল বাতাস এবং উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ১৬ নভেম্বর শনিবার ৮০টি স্থানে দাবানলের সূত্রপাত হয়েছে, যার সাথে শত শত দমকলকর্মীরা লড়াই করছে।

দমকল কর্তৃপক্ষ ১৭ নভেম্বর বলেছে, রাজ্যের পশ্চিম ও দক্ষিণ অঞ্চলে দুটি স্থানে দাবানল সবচেয়ে ‘চ্যালেঞ্জিং’ এবং সম্ভবত “বেশ কিছু সময় ধরে” জ্বলবে।

ভিক্টোরিয়া রাজের জরুরি ব্যবস্থাপনা কমিশনার রিক নুজেন্ট যোগ করেছেন যে দুটি স্থানে দাবানলে ১৯০০ হেক্টরের বেশি বন পুড়ে গেছে এবং এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

“সেই এলাকায় মজুত শস্য এবং কৃষির ক্ষতি হয়েছে এবং আমাদের দলগুলো সারা দিন ধরে প্রভাবের মূল্যায়ন চালিয়ে যাবে।”

রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে অন্তত একটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে, তবে আরও ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দমকল কর্তৃপক্ষ ১৭ নভেম্বর জানিয়েছে, জাতীয় উদ্যান থেকে সরিয়ে নেওয়া শত শত বাসিন্দাদের মধ্যে ১০ জন হাইকার রয়েছেন।

রোববার পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ নিরাপদ বলে না জানানো পর্যন্ত উচ্ছেদকৃত বাসিন্দাদের বাড়ি ফেরা এড়াতে অনুরোধ করেছে ।

১৭ নভেম্বর বিকেলে রাজ্যটিতে প্রবল বাতাস প্রবাহিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়ার আগে পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

বেশ কিছু বৃষ্টি ভেজা বছরের পর ২০১৯-২০২০ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বিপর্যয়কর ব্যাপক দাবানল পরিস্থিতি শুরু হয়েছে।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ২০২০ সালের সমীক্ষা অনুসারে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ১৯০০ সালের তুলনায় আবহাওয়ায় তীব্র দাবানলের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেড়েছে।সূত্র:বাসস।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয়

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ধ্বংস হচ্ছে বাড়িঘর ও গবাদিপশু

আপডেট সময় ০২:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য জুড়ে ১৭ নভেম্বর রবিবার বেশ কয়েকটি দাবানল জ্বলছে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাসিন্দাদের জোর করে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে এবং এতে অন্তত একটি বাড়ি ধ্বংস করেছে। সিডনি থেকে এএফপি এখবর জানায়।

প্রবল বাতাস এবং উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ১৬ নভেম্বর শনিবার ৮০টি স্থানে দাবানলের সূত্রপাত হয়েছে, যার সাথে শত শত দমকলকর্মীরা লড়াই করছে।

দমকল কর্তৃপক্ষ ১৭ নভেম্বর বলেছে, রাজ্যের পশ্চিম ও দক্ষিণ অঞ্চলে দুটি স্থানে দাবানল সবচেয়ে ‘চ্যালেঞ্জিং’ এবং সম্ভবত “বেশ কিছু সময় ধরে” জ্বলবে।

ভিক্টোরিয়া রাজের জরুরি ব্যবস্থাপনা কমিশনার রিক নুজেন্ট যোগ করেছেন যে দুটি স্থানে দাবানলে ১৯০০ হেক্টরের বেশি বন পুড়ে গেছে এবং এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

“সেই এলাকায় মজুত শস্য এবং কৃষির ক্ষতি হয়েছে এবং আমাদের দলগুলো সারা দিন ধরে প্রভাবের মূল্যায়ন চালিয়ে যাবে।”

রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে অন্তত একটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে, তবে আরও ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দমকল কর্তৃপক্ষ ১৭ নভেম্বর জানিয়েছে, জাতীয় উদ্যান থেকে সরিয়ে নেওয়া শত শত বাসিন্দাদের মধ্যে ১০ জন হাইকার রয়েছেন।

রোববার পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ নিরাপদ বলে না জানানো পর্যন্ত উচ্ছেদকৃত বাসিন্দাদের বাড়ি ফেরা এড়াতে অনুরোধ করেছে ।

১৭ নভেম্বর বিকেলে রাজ্যটিতে প্রবল বাতাস প্রবাহিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়ার আগে পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

বেশ কিছু বৃষ্টি ভেজা বছরের পর ২০১৯-২০২০ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বিপর্যয়কর ব্যাপক দাবানল পরিস্থিতি শুরু হয়েছে।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ২০২০ সালের সমীক্ষা অনুসারে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ১৯০০ সালের তুলনায় আবহাওয়ায় তীব্র দাবানলের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেড়েছে।সূত্র:বাসস।