ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

সরিষাবাড়ী শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ স্বাধীর হলেও তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদারমুক্ত হয় বিজয় দিবসের চারদিন আগেই। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে এ দেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭ শত ৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংবাদ পান, দুই শতাধিক পাকসেনা স্থানীয় রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান করছে। এ সংবাদে ওই রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভুমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

এ রাতে পিংনার বারইপটল ফুলদহের পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২জন শহীদ হন। সারা রাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ভোরে সকল পাক সেনাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সরিষাবাড়ী মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিজয় মিছিল, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, প্রীতিভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

সরিষাবাড়ী শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ স্বাধীর হলেও তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদারমুক্ত হয় বিজয় দিবসের চারদিন আগেই। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে এ দেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭ শত ৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংবাদ পান, দুই শতাধিক পাকসেনা স্থানীয় রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান করছে। এ সংবাদে ওই রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভুমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

এ রাতে পিংনার বারইপটল ফুলদহের পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২জন শহীদ হন। সারা রাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ভোরে সকল পাক সেনাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সরিষাবাড়ী মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিজয় মিছিল, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, প্রীতিভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।