ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যমুনা সার কারখানা পরিদর্শনে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে তারাকান্দিতে বিশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান, জাল জব্দ ও ব্যবসায়ীকে জরিমানা কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপূজায় ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ দিয়ে নজরদারি করবে আনসার স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : সাখাওয়াত হোসেন নকলায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত দুর্গাপূজা : অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বস্ত্র উপহার দিলেন ছাত্রদলনেতা মাহমুদুল ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঘোড়াধাপে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল কালোবাজারে

জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে কালোবাজারে বিক্রি করা সরকারের ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম এ অভিযান চালান। জব্দ করা চালগুলো এ কর্মসূচির ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে নিয়োজিত ডিলার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমানের বলে নিশ্চিত হয়েছে অভিযানকারী দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার মো. মতিউর রহমান ১১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের স্থানীয় সাবুর মোড়ে তার দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করেন। বিকেলের দিকে তিনি তার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সরিয়ে ফেলেন। চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিকিৎসক মফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও’র নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম ও স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রাত নয়টার দিকে ওই ইউনিয়নের সাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় স্থানীয় তিনটি পৃথক স্থান থেকে প্রতিবস্তা ৩০ কেজি ওজনের ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ওরফে বিলু মিয়ার বাড়ি থেকে ৮৭ বস্তা, সোলায়মান হোসেনের দোকান থেকে ২০ বস্তা এবং আবুল কালামের বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী হাকিম এস এম মাজহারুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, জব্দ করা চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। প্রাথমিকভাবে ডিলার মো. মতিউর রহমান তার বরাদ্দের চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জব্দকৃত চালগুলো স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ডিলার মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনা সার কারখানা পরিদর্শনে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা

ঘোড়াধাপে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল কালোবাজারে

আপডেট সময় ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে কালোবাজারে বিক্রি করা সরকারের ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম এ অভিযান চালান। জব্দ করা চালগুলো এ কর্মসূচির ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে নিয়োজিত ডিলার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমানের বলে নিশ্চিত হয়েছে অভিযানকারী দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার মো. মতিউর রহমান ১১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের স্থানীয় সাবুর মোড়ে তার দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করেন। বিকেলের দিকে তিনি তার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সরিয়ে ফেলেন। চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিকিৎসক মফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও’র নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম ও স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রাত নয়টার দিকে ওই ইউনিয়নের সাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় স্থানীয় তিনটি পৃথক স্থান থেকে প্রতিবস্তা ৩০ কেজি ওজনের ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ওরফে বিলু মিয়ার বাড়ি থেকে ৮৭ বস্তা, সোলায়মান হোসেনের দোকান থেকে ২০ বস্তা এবং আবুল কালামের বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী হাকিম এস এম মাজহারুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, জব্দ করা চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। প্রাথমিকভাবে ডিলার মো. মতিউর রহমান তার বরাদ্দের চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জব্দকৃত চালগুলো স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ডিলার মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।