জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ নভেম্বর, শনিবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানের হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজের পৈতৃক সম্পত্তি দান করে এবং মায়ের নামে তিনি চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল ও কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। বিগত সরকারের আমলে এমপিওভুক্তির জন্য আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষক সুকৌশলে এমপিওভুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তারা পরিচালনা কমিটি ও প্রতিষ্ঠানকে হেয়প্রতিপন্ন করার নানা অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ভুয়া সনদ ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এমপিও স্থগিত বা ছাড়করণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়।
অধ্যক্ষ অভিযোগ করে আরও বলেন, চাকরিচ্যুত ও অভিযুক্ত ওই শিক্ষকেরা স্থানীয় একটি রাজনৈতিক মহলের ইন্ধনে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার স্ত্রীদের নিয়ে একটি সংঘবদ্ধচক্র গড়ে তুলেছেন। ৩ নভেম্বর তারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে ঢুকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন স্লোগান দিয়ে মানববন্ধনের নামে নাটক সাজান।
রফিকুল ইসলাম আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহা-পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু : নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 

















