জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে উত্যক্ত (ইভটিজিং) করার অপরাধে সুমন মিয়া (২৮) নামে এক বখাটে যুবককে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানায় দণ্ডিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের বারইপটল উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসে।
সাজাপ্রাপ্ত সুমন মিয়া স্থানীয় একটি বেকারি কারখানার শ্রমিক। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামের মুসলিম মিয়ার ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে বেকারি শ্রমিক সুমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্যক্ত ও অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে আসছিলেন। ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে পুনরায় ওই ছাত্রী হেনস্থার শিকার হলে বিদ্যালয়ে পৌঁছে শিক্ষক ও সহপাঠীদের কাছে বিষয়টি জানান। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্থানীয় এক বেকারি কারখানা থেকে সুমন মিয়াকে ধরে বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। পরে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন।
ঘটনা জানতে পেরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরিষাবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা রিছিল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় সুমন মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানার দণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার পরপরই পুলিশ সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুমন মিয়াকে জামালপুর জেলা কারাগারে পাঠান।
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা রিছিল এই প্রতিবেদককে বলেন, ইভটিজিং করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সুমন মিয়াকে সাজা দিয়ে পুলিশের মাধ্যমে তাকে জামালপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইভটিজিং বা যেকোনো ধরনের হেনস্থার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
মমিনুল ইসলাম কিসমত : নিজস্ব প্রতিবেদক, সরিষাবাড়ী, বাংলারচিঠিডটকম 



















