ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

দেওয়ানগঞ্জে সেতুর অভাবে ১৬ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

দেওয়ানগঞ্জ : সেতু না থাকায় এভাবেই নৌকায় করে পারাপার হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জিঞ্জিরাম নদে সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় ১৬টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের কামাড়ের চর জিঞ্জিরাম নদে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও নির্মাণ হয়নি পাকা সেতু। প্রতিনিয়ত মৌলভীরচর, বয়রাপাড়া, সবুজপাড়া, বাদুরা, পশ্চিম লংকারচর, টুপগারচর, আলগার চর, গাছবাড়ী, ফুলছড়ি উপজেলার জিগাবাড়ী, ডাকাতিয়া, ভাটিয়াপাড়া, উনত্রিশপাড়া, উত্তর হরিচন্ডী, সন্ন্যাসীরচর তালপট্টি গ্রামসহ ১৬টি গ্রামের মানুষ। বর্ষায় নদী ভরে গেলেও শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে চর জেগে উঠে, তখন চলাচল আরও দুরূহ হয়ে পড়ে।

১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, খোলাবাড়ী ঘাটে খেয়া নৌকায় রশি টেনে পারাপার হচ্ছেন মানুষ ও যানবাহন। দুই পাড়ে মালবোঝাই ভ্যানের সারি, নৌকায় উঠাতে গেলে যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপারে সমস্যা দেখা দেয়।

চরআমখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বলেন, বর্ষাকালে প্রতিদিন হাজারো মানুষ নৌকায় পার হন। সেতুর অভাবে ১৬টি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ বর্ষায় খেয়ানৌকায়, শুষ্ক মৌসুমে চর পার হয়ে চলাচল করতে হয়। প্রতিদিন শত শত মানুষ পারাপার হন এই নদ দিয়ে। শুষ্ক মৌসুমে বালুরচর পড়ায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে। এখানে সেতু নির্মাণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে অন্তত: ৩০ হাজার মানুষ।

চরআমখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জানান, প্রতিদিন পশ্চিমপাড়ের ১৬টি গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন কাজের প্রয়োজনে পূর্ব পারে যেতে হয়। নদে সেতু নির্মাণ হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ দূর হবে।

ইউপি সদস্য বকুল মিয়া জানান, নদীতে সেতু না থাকায় শিক্ষা, চিকিৎসা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে পিছিয়ে পড়ছে। দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ হলে পাল্টে যাবে এই এলাকার উন্নয়ন।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. জয়নাল আবেদীন এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। মাটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন মিললে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

দেওয়ানগঞ্জে সেতুর অভাবে ১৬ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

আপডেট সময় ১০:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জিঞ্জিরাম নদে সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় ১৬টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের কামাড়ের চর জিঞ্জিরাম নদে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও নির্মাণ হয়নি পাকা সেতু। প্রতিনিয়ত মৌলভীরচর, বয়রাপাড়া, সবুজপাড়া, বাদুরা, পশ্চিম লংকারচর, টুপগারচর, আলগার চর, গাছবাড়ী, ফুলছড়ি উপজেলার জিগাবাড়ী, ডাকাতিয়া, ভাটিয়াপাড়া, উনত্রিশপাড়া, উত্তর হরিচন্ডী, সন্ন্যাসীরচর তালপট্টি গ্রামসহ ১৬টি গ্রামের মানুষ। বর্ষায় নদী ভরে গেলেও শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে চর জেগে উঠে, তখন চলাচল আরও দুরূহ হয়ে পড়ে।

১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, খোলাবাড়ী ঘাটে খেয়া নৌকায় রশি টেনে পারাপার হচ্ছেন মানুষ ও যানবাহন। দুই পাড়ে মালবোঝাই ভ্যানের সারি, নৌকায় উঠাতে গেলে যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপারে সমস্যা দেখা দেয়।

চরআমখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বলেন, বর্ষাকালে প্রতিদিন হাজারো মানুষ নৌকায় পার হন। সেতুর অভাবে ১৬টি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ বর্ষায় খেয়ানৌকায়, শুষ্ক মৌসুমে চর পার হয়ে চলাচল করতে হয়। প্রতিদিন শত শত মানুষ পারাপার হন এই নদ দিয়ে। শুষ্ক মৌসুমে বালুরচর পড়ায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে। এখানে সেতু নির্মাণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে অন্তত: ৩০ হাজার মানুষ।

চরআমখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জানান, প্রতিদিন পশ্চিমপাড়ের ১৬টি গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন কাজের প্রয়োজনে পূর্ব পারে যেতে হয়। নদে সেতু নির্মাণ হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ দূর হবে।

ইউপি সদস্য বকুল মিয়া জানান, নদীতে সেতু না থাকায় শিক্ষা, চিকিৎসা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে পিছিয়ে পড়ছে। দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ হলে পাল্টে যাবে এই এলাকার উন্নয়ন।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. জয়নাল আবেদীন এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। মাটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন মিললে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে।