ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী সরকারি খরচায় অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৫ মামলা নিষ্পত্তি ১৩ জেলায় স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক পদে ১৩ উপসচিবকে পদায়ন ইসলামপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন, দামে খুশি কৃষক মাদারগঞ্জে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত নকলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রাব্বেনুর চৌধুরী, শুভেচ্ছা বিনিময়, আর্থিক সহায়তা প্রদান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বাংলাদেশে ঠাঁই নেই : মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সরিষাবাড়ীতে পূজা মন্ডপে অসুস্থ হয়ে মন্দির কমিটির নেতার মৃত্যু নকলায় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, বস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা দিলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মতিয়া চৌধুরীর দাফন

রাজধানীর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বর্ষীয়ান রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর দাফন হয়েছে।

১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে (আজাদ মসজিদ) জানাজার নামাজ শেষে তাকে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মতিয়া চৌধুরীর ভাই মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সকালে বাসার সামনে প্রথম জানাজা শেষে দুপুরে আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষ হয়। পরে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বুধবার দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শেরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ঢাকার ইডেন কলেজে পড়ার সময় রাজনীতিতে জড়ানো মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে ‘অগ্নিকন্যা’ নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৭০ ও ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রূষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী ১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা হয়েছিলেন তিনি।সূত্র:ঢাকাপোস্ট।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মতিয়া চৌধুরীর দাফন

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

রাজধানীর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বর্ষীয়ান রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর দাফন হয়েছে।

১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে (আজাদ মসজিদ) জানাজার নামাজ শেষে তাকে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মতিয়া চৌধুরীর ভাই মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সকালে বাসার সামনে প্রথম জানাজা শেষে দুপুরে আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষ হয়। পরে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বুধবার দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শেরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ঢাকার ইডেন কলেজে পড়ার সময় রাজনীতিতে জড়ানো মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে ‘অগ্নিকন্যা’ নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৭০ ও ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রূষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী ১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা হয়েছিলেন তিনি।সূত্র:ঢাকাপোস্ট।