ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদকে সংবর্ধনা সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে বিএনপি : সংসদ সদস্য শামীম তালুকদার প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের উপায় খুঁজতে আর্মেনিয়ায় জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে উত্তেজনা প্রশমনে মার্কিন দূতদের সঙ্গে জেলেনস্কির আলোচনা জেলেনস্কির সমালোচনায় ট্রাম্প, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই মাদারগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বস্তুনিষ্ঠতা এবং পেশাদারিত্ব কালবেলাকে শীর্ষে নিয়ে গেছে : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া মামুন। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মতিয়া চৌধুরীর দাফন

রাজধানীর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বর্ষীয়ান রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর দাফন হয়েছে।

১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে (আজাদ মসজিদ) জানাজার নামাজ শেষে তাকে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মতিয়া চৌধুরীর ভাই মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সকালে বাসার সামনে প্রথম জানাজা শেষে দুপুরে আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষ হয়। পরে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বুধবার দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শেরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ঢাকার ইডেন কলেজে পড়ার সময় রাজনীতিতে জড়ানো মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে ‘অগ্নিকন্যা’ নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৭০ ও ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রূষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী ১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা হয়েছিলেন তিনি।সূত্র:ঢাকাপোস্ট।

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মতিয়া চৌধুরীর দাফন

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

রাজধানীর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বর্ষীয়ান রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর দাফন হয়েছে।

১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে (আজাদ মসজিদ) জানাজার নামাজ শেষে তাকে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মতিয়া চৌধুরীর ভাই মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সকালে বাসার সামনে প্রথম জানাজা শেষে দুপুরে আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষ হয়। পরে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বুধবার দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শেরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ঢাকার ইডেন কলেজে পড়ার সময় রাজনীতিতে জড়ানো মতিয়া চৌধুরী ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে ‘অগ্নিকন্যা’ নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৭০ ও ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রূষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী ১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা হয়েছিলেন তিনি।সূত্র:ঢাকাপোস্ট।