ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের জন্য অংশীদারদের নিয়ে পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপিত দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সাজ্জাতুল বরখাস্ত সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় হামের নতুন রোগী ৯৫, মৃত্যু ৫ খুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’ : প্রধানমন্ত্রী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম নিয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামালপুরে ১১ দলের গণ-মিছিল প্রতিটি শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা পাওয়ার জন্য কাজ করছে সরকার : এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঝিনাইগাতীতে খালের অবৈধ বাধ উচ্ছেদ : কৃষকদের মাঝে স্বস্তি জামালপুরে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান : র‌্যাবের গাড়িতে ঢিল, আটক দুই

বেতন বাড়ল পোশাক শ্রমিকদের

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
পোশাক শ্রমিকদের ৬টি গ্রেডের বেতন সমন্বয় করা হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি নতুন এ মজুরি কাঠামো ঘোষণা করেন। এতে সর্বোচ্চ বেতন বেড়েছে ৫ হাজার ২৫৭ টাকা আর সর্বনিন্ম ২ হাজার ৭০০ টাকা।

ঘোষণা অনুযায়ী প্রথম গ্রেডের বেতন হবে ১৮ হাজার ২৫৭ টাকা, ২য় গ্রেডের বেতন ১৫ হাজার ৪১৬ টাকা, ৩য় গ্রেডের বেতন ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা, ৪র্থ গ্রেডের বেতন ৯ হাজার ৩৪৭ টাকা, ৫ম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৮৭৫ টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৪২০ টাকা এবং ৭ম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। ৭ম গ্রেডে পূর্বে নির্ধারণ করা ৮ হাজার টাকাই রয়েছে। এর ফলে ৭ নম্বর গ্রেড ছাড়া বাকি ৬টি গ্রেডেরই বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর আগে বিকেল পাঁচটায় পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন কাঠামোতে গ্রেডিং বৈষম্য দূর করতে গঠিত সচিব কমিটির বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে শ্রম সচিব আফরোজা খানের নেতৃত্বে বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম, মালিকপক্ষে বিজিএমই’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সালাম মুর্শেদী এমপি, আতিকুর রহমান, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, এ কে আজাদ এবং শ্রমিকদের পক্ষে নাজমা আকতার, ফজলুল হক মন্টু, আমিররুল ইসলাম আমিন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মালিকপক্ষ শ্রম সচিব এবং শ্রমিকপক্ষ শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ানের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি নতুন এ মজুরি কাঠামো ঘোষণা করেন। এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন পোশাক শ্রমিকরা। এসময় পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ারও ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া সড়ক বন্ধ রেখে আন্দোলন, বাস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে শ্রমিকরা।

এর আগে গেল বছর মালিক-শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পোশাক খাতে সর্বনিম্ন ৮ হাজার টাকা মজুরি চূড়ান্তের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এ মজুরি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। আর এ মজুরি কার্যকর নিয়ে শ্রমিকরা আন্দোলন করে।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের জন্য অংশীদারদের নিয়ে পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

বেতন বাড়ল পোশাক শ্রমিকদের

আপডেট সময় ০৭:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
পোশাক শ্রমিকদের ৬টি গ্রেডের বেতন সমন্বয় করা হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি নতুন এ মজুরি কাঠামো ঘোষণা করেন। এতে সর্বোচ্চ বেতন বেড়েছে ৫ হাজার ২৫৭ টাকা আর সর্বনিন্ম ২ হাজার ৭০০ টাকা।

ঘোষণা অনুযায়ী প্রথম গ্রেডের বেতন হবে ১৮ হাজার ২৫৭ টাকা, ২য় গ্রেডের বেতন ১৫ হাজার ৪১৬ টাকা, ৩য় গ্রেডের বেতন ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা, ৪র্থ গ্রেডের বেতন ৯ হাজার ৩৪৭ টাকা, ৫ম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৮৭৫ টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৪২০ টাকা এবং ৭ম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। ৭ম গ্রেডে পূর্বে নির্ধারণ করা ৮ হাজার টাকাই রয়েছে। এর ফলে ৭ নম্বর গ্রেড ছাড়া বাকি ৬টি গ্রেডেরই বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর আগে বিকেল পাঁচটায় পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন কাঠামোতে গ্রেডিং বৈষম্য দূর করতে গঠিত সচিব কমিটির বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে শ্রম সচিব আফরোজা খানের নেতৃত্বে বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম, মালিকপক্ষে বিজিএমই’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সালাম মুর্শেদী এমপি, আতিকুর রহমান, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, এ কে আজাদ এবং শ্রমিকদের পক্ষে নাজমা আকতার, ফজলুল হক মন্টু, আমিররুল ইসলাম আমিন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মালিকপক্ষ শ্রম সচিব এবং শ্রমিকপক্ষ শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ানের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি নতুন এ মজুরি কাঠামো ঘোষণা করেন। এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন পোশাক শ্রমিকরা। এসময় পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ারও ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া সড়ক বন্ধ রেখে আন্দোলন, বাস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে শ্রমিকরা।

এর আগে গেল বছর মালিক-শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পোশাক খাতে সর্বনিম্ন ৮ হাজার টাকা মজুরি চূড়ান্তের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এ মজুরি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। আর এ মজুরি কার্যকর নিয়ে শ্রমিকরা আন্দোলন করে।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ